খুলনা-বেনাপোল কমিউটার ট্রেনের যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ট্রেনটিতে নেই আসন নম্বর, শোভন চেয়ার কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোনো কামরা। তাই যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এটিকে ইন্টারসিটি (আন্তঃনগর) করার কথা বলছেন যাত্রীরা। ইন্টারসিটি করা হলে যাত্রী সুবিধার পাশাপাশি সরকারি রাজস্ব আয় বাড়বে।
নিয়মিত খুলনা থেকে বেনাপোল চলাচলকারী যাত্রীরা জানান, খুলনা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত একটি কমিউটার ট্রেন চলে। প্রতিদিন সকাল ৬টায় ও দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ছেড়ে যায় বেনাপোলের উদ্দেশে। আবার সকাল ৯টা ও বিকেল ৫টায় ছেড়ে আসে খুলনার উদ্দেশে। কিন্তু ট্রেনটিতে নেই আসনশৃঙ্খলা অথবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোনো কামরা। অনেকের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আগে থেকে টিকিটের বন্দোবস্ত করতে পারেন না। তাই নিজের মতো করে আসনে বসাও সম্ভব হয় না।
নিয়মিত বেনাপোল যাতায়াত করেন নগরের নিরালা এলাকার শাওন শেখ। তিনি বলেন, আমাকে প্রায়ই ভারতে যেতে হয় চিকিৎসার জন্য। কিন্তু টিকিট কাটতে দেরি হলে আর আসন পাই না। বেশ কষ্ট করে যেতে হয়। আরেক যাত্রী মফিদুল ইসলাম বলেন, ট্রেনে চলাচলে মাত্র ৪৫ টাকায় আমরা বেনাপোলে পৌঁছাতে পারি। কিন্তু ট্রেনটিতে নেই কোনো ভালো আসন। তাছাড়া বেনাপোল থেকে ফেরার সময় নানা রকম ভারতীয় পণ্যে ভরে যায় কামরা, তখন দাঁড়িয়ে আসতে হয়। এটি বেশ বিড়ম্বনার। ট্রেনটিতে নির্দিষ্ট আসন ও কামরা থাকলে যাত্রী আরও বেশি হতো।