দপ্তর মোট ১৭টি। সাতটিতে কর্মকর্তা থাকলেও ১০টি চলছে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিয়ে। অতিরিক্ত দায়িত্বের এসব কর্মকর্তা মাসে এক দিন বা দুই দিন অফিস করেন। জরুরি কাজ সম্পাদনসহ ফাইল স্বাক্ষর করাতে এসব দপ্তরের কর্মচারীদের যেতে হয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে অন্য উপজেলায়। রয়েছে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকট। ফলে প্রায় সব দপ্তরের কার্যক্রমে চলছে এক ধরনের স্থবিরতা। সেবা গ্রহীতারা প্রতিনিয়ত হচ্ছে চরম হয়রানির শিকার। এ অবস্থার শিকার পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলার দ্বীপ উপজেলা রাঙ্গাবালীতে প্রশাসনের ১৭টি দপ্তরের ১০টি কর্মকর্তার পদ রয়েছে শূন্য। এসব দপ্তর চলছে পার্শ্ববর্তী উপজেলার কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত দায়িত্বে। এসব দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দুর্গম ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকায় এবং নিজ দপ্তরে কাজের চাপ থাকায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এসব কর্মকর্তার অনেকেই এক দিন বা দুই দিন রাঙ্গাবালীতে অফিস করেন। অনেক সময় মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য রাঙ্গাবালীতে আসেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তা পদায়ন চূড়ান্ত করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানান।