কর্মশালায় বাণিজ্যমন্ত্রী

ইউরেশিয়ান কমিশনের সঙ্গে চুক্তি হলে রপ্তানি বাড়বে

রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন ইউরেশিয়ান ইকোনমিক কমিশনের সঙ্গে খুব শিগগিরই চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এ চুক্তি হলে রাশিয়াসহ ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নভুক্ত অন্য দেশগুলোতে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধার পথ সুগম হবে, বাড়বে রপ্তানিও।

গতকাল রবিবার ঢাকার পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বাণিজ্য ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’বিষয়ক এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। ইআরএফ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩০ মে আমি মস্কো যাচ্ছি। সেখানে ইউরেশিয়ান ইকোনমিক কমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে। রাশিয়া, বেলারুশ, আর্মেনিয়া, কিরগিজস্তান ও কাজাখস্তান নিয়ে এ কমিশন গঠিত। এটি স্বাক্ষর হলে ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হওয়ার পাশাপাশি দেশগুলোতে আমাদের রপ্তানি বাড়বে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই দেশটিকে এগিয়ে নিতে হবে। এ লক্ষ্যে অনেক চেষ্টা করছি। দেশের অর্থনীতি নতুন ধাপে উন্নীত হয়েছে। যে যা-ই বলুক, অর্থনীতিতে আমরা একটা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছি। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বুঝতে পেরেছি বাংলাদেশের ব্যাপারে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদস্যদের উৎসাহ অনেক। বিশেষ করে বাংলাদেশ কীভাবে এলডিসি দেশগুলোর মধ্যে লিড করেছে। ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হলে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ব, সেগুলো উন্নীতকরণ নিয়ে সংস্থাটির সম্মেলনে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়েই আমি বুঝতে পারলাম যে, আমাদেরকে তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদের আগের অবস্থান এখন আর নেই। ৬৫টি দেশ ওই কনফারেন্সে উপস্থিত ছিল। তারা আমাদের বিষয়ে জানতে আগ্রহী। কোন কোন দেশের সঙ্গে আমরা শুল্কমুক্ত চুক্তি করব, কোন কোন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করবÑ এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি আমরা চেক রিপাবলিকানদের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছি। তারা বাংলাদেশের জ¦ালানি খাতসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে।