নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য ঢাকার কেরানীগঞ্জে আদালত স্থানান্তরে সরকারি গেজেট চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনের শুনানির জন্য আজ মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি খায়রুল আলমের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এ দিন ধার্য করে। এদিকে এই রিট আবেদনের শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পক্ষভুক্ত হয়েছে। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত রবিবার এ রিট আবেদনটি করা হয় বলে জানান আইনজীবী কায়সার কামাল। তিনি জানান, রিটে পুরান ঢাকায় অবস্থিত সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ জজ আদালত-৯ কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি ভবনে স্থানান্তরে গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় যে গেজেট জারি করেছিল, তা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, সে মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
গত বছর ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনকে ৫ বছর ও অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত-৫। রায়ের পরপরই খালেদা জিয়াকে রাখা হয় নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হলে গত বছর ৩০ অক্টোবর এক রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করে হাইকোর্ট। এর আগের দিন ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত।