ক্রেতার নজর আতর টুপিতে

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। আর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত নগরবাসী। গত দুদিন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মার্কেট, এর দুপাশের দুটি প্রধান গেট, নিউ মার্কেট ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন ছোট-বড় মার্কেটে গড়ে ওঠা আতর, টুপি, তসবি ও জায়নামাজের দোকানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ভিড় দেখা গেছে। ক্রেতাদের চাহিদানুযায়ী এসব মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে দেশি-বিদেশি নানা ব্র্যান্ডের আতর, টুপি, তসবি ও জায়নামাজ।

দোহার থেকে বায়তুল মোকাররম মসজিদে টুপি, আতর, জায়নামাজ কিনতে এসেছিলেন বছিরউদ্দিন। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পরিবারের সবার জন্যই কিছু না কিছু কিনেছি। নিজের, ছেলের, ভাইয়ের, বাবার এবং বন্ধুদের গিফটের জন্য টুপি কিনেছি। মা ও স্ত্রীর জন্য তসবি। জায়নামাজ কিনেছি দুটি। বছরঘুরে যখন ঈদ আসে তখন এগুলো নতুন কিনতেই ভালো লাগে।’ নিউ মার্কেটে জায়নামাজ কিনতে এসেছিলেন সুরাইয়া ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বাবা-মায়ের জন্য জায়নামাজ কিনেছি। দুটি আতরও কিনেছি।’

বায়তুল মোকাররম মসজিদের আতর, টুপি ও তসবি ব্যবসায়ী রবিউল আউয়াল সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রমজানের শুরুতেই আতর, টুপি ও তসবি বিক্রি বেড়েছে। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসায় বিক্রি আরও বেড়েছে। যাই বিক্রি হচ্ছে, মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’ নিউ মার্কেটে টুপি ব্যবসায়ী ফেরদৌস খান বলেন, ‘তুর্কি ও পাকিস্তানি টুপির বেশ কদর। বাহারি ডিজাইন, আকার ও

রঙের জন্য মানুষের নজরে বেশি পড়ছে। তবে বিক্রিতে পিছিয়ে নেই দেশি টুপিও।’

সব ধরনের কেনাকাটার পর ঈদের শপিংয়ে ক্রেতারা এসব পণ্য কিনতে ভালো বাজেট রাখছেন বলে জানিয়েছেন রাইসা আতর ঘরের স্বত্বাধিকারী আবদুল গাফফার। তিনি জানান, পবিত্রতার রঙে নিজেদের রাঙাতে ক্রেতারা টুপি, জায়নামাজ, তসবি ও আতরের মধ্যে সেরাগুলোই কিনে নিচ্ছেন। তিনি আরও জানান, তার দোকানে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের আতর পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকম আতরের মধ্যে মাহফুজ, মুবাখখার, হানিন, নুরা, মিকাত, শায়খা, মিনা আতরের চাহিদা বেশি। এছাড়া পুরনো সমাহারের মধ্যে রয়েছে মরিয়ম, দেহনেল উদ, হোয়াইট আম্বার, মুখাল্লাত আরাইস, উদ আল সুলতান ইত্যাদি।