বলিউডের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীদের একজন দীপিকা পাড়ুকোন। বলিউডের পাশাপাশি হলিউডেও অভিনয় করছেন তিনি। নায়িকাদের নানা খবর নিয়েই মেতে ওঠেন ভক্তরা। আজকের এই গ্ল্যামারাস গার্ল কলেজজীবনে ছিলেন একেবারেই ভিন্ন টাইপের। বেঙ্গালুরুর মাউন্ট কারমেল কলেজের ছাত্রী ছিলেন দীপিকা। দীপিকারই এক সহপাঠী একটি পোস্টের মাধ্যমে জানালেন, ছাত্রজীবনে কেমন ছিলেন দীপিকা।
বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন ছিলেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়। দীপিকাও তখন ব্যাডমিন্টন খেলতেন। সঙ্গে চলত মডেলিং। দীপিকার সহপাঠী তার পোস্টে লিখেন, ‘মুম্বাইতে ‘ওম শান্তি ওমে’ অভিনয় করতে যাওয়ার ৬ মাস আগে মাউন্ট কারমেল কলেজে সে আমার সহপাঠী ছিল। ব্যাডমিন্টন ও মডেলিং এ প্রতিশ্রুতি দেওয়া ছিল বলে প্রায়ই ক্লাসে অনুপস্থিত থাকত দীপিকা। অনেক কম অ্যাটেন্ডেন্স ছিল ওর আর তাই হয়তো ও কলেজ ছেড়ে দেয়।
কিন্তু যেদিন দীপিকা কলেজে আসত সেদিন ব্যাডমিন্টন প্র্যাকটিস থেকে সোজা আসত। ও ট্র্যাক স্যুট পরে, ঘেমে গিয়ে কলেজ আসত। এটা খুব বড় ব্যাপার, কারণ মাউন্ট কারমেলে সবাই পোশাক নিয়ে খুব সচেতন। মেয়েরা সব সময় সেজে, এমনকি প্রায় ৪-৫ ইঞ্চি হিল পরে আসতো। আর এই সুপার মডেল তখন কালো ট্র্যাক প্যান্ট আর জ্যাকেট পরে আসতো। একটুও মেক আপ থাকত না ওর মুখে। চুল সব সময় বাঁধা থাকত।
আমি একবার কলেজে ফি জমা দেওয়ার জন্য লাইনে ওর পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু দীপিকা এত লম্বা যে আমি কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না সামনে। আমার সব সময় মনে হতো দীপিকা খুব শান্ত এবং ভদ্র। লাস্ট বেঞ্চে বসত ও, খুব একটা পড়ুয়াও ছিল না, কিন্তু ও খুব মিষ্টি ছিল। তার মানে এই না যে ও মজা করতে ভালোবাসতো না। ওর অনেক পুরুষ অনুরাগী ছিল কলেজে। তবে মাউন্ট কারমেলের ছাত্রীদের সকলেরই পুরুষ অনুরাগী থাকত যারা কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে থাকত।’