২০১৯-২০ অর্থবছরের নতুন বাজেটে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কারমূলক দিকনির্দেশনা ও একগুচ্ছ প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ডিএসই কর্তৃপক্ষ আশা করছে, সরকারের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য যেসব প্রস্তাব রাখা হয়েছে, তাতে বাজারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে ও জাতীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাত আরও শক্তিশালী ও বিকশিত হয়ে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি আকৃষ্ট করবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনীতিতে চাহিদা বৃদ্ধি, শিল্পোন্নয়ন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নপূরণের অঙ্গীকারে সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ডিএসই কর্তৃপক্ষ ধন্যবাদ জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, স্টক ডিভিডেন্ডের পরিবর্তে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদানকে উৎসাহিত করার জন্য কোনো কোম্পানি স্টক ডিভিডেন্ড প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে উক্ত স্টক ডিভিডেন্ডের ওপর ১৫ শতাংশ কর প্রদানের বিধানের জন্য বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া কোনো কোম্পানির কোনো আয় বছরে রিটেইন্ড আর্নিংস, রিজার্ভ ইত্যাদির সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয় তাহলে যতটুকু বেশি হবে তার ওপর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ কর প্রদান করতে হবে। আর পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার
টাকায় নির্ধারণ, নিবাসী ও অনিবাসী সব কোম্পানির ক্ষেত্রে ডিভিডেন্ড আয়ের ওপর একাধিকবার করারোপ রোধ করার বিধান কার্যকর করার প্রস্তাব, শেয়ারবাজারে কোনো রুগ্ণ কোম্পানিকে যদি কোনো আর্থিক দিক থেকে সবল কোম্পানি আত্মীকরণ করতে চায় সেটা বিবেচনা করার প্রস্তাব।