আটকের ১৫ ঘণ্টা পর জামিনে মুক্ত ছাত্রলীগ নেতা

দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ সুজন আটকের ১৫ ঘণ্টা পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

ওই ছাত্রলীগ নেতা অভিযোগ করেন, রবিবার রাত ১০ টার দিকে সাদা পোশাকে কয়েকজন পুলিশ বিনা মামলায় দোকান থেকে তুলে থানায় নিয়ে যায়।

সোমবার দুপুর ১টায় আদালতে প্রেরণ করার পর তিনি জামিনে ছাড়া পান। পুলিশ জানিয়েছে, সাব্বিরকে আইনের ৩৪ ধারায় আটক করা হয়।

আটকের বিষয়ে সাব্বির আহমেদের মা এবং দিনাজপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মিসেস বেবী মান্না দেশ রূপান্তরকে বলেন, পারিবারিকভাবেই আমরা রাজনীতিতে জড়িত। কিন্তু আমার ছেলে সাব্বিরকে উল্লাস হোটেল থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, রাতেই আমরা কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছে কী অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাব্বিরকে তুলে আনা হলো জানতে চাইলে থানার অফিসার ইনচার্জ রেদওয়ানুর রহিম কোনো উত্তর দিতে পারেনি। নানান টালবাহানা ও আমাদের হয়রানির পর সোমবার দুপুরের দিকে আদালতে প্রেরণ করলে সাব্বিরকে জামিনে মুক্ত করি।

আটকের পর ছাড়া পাওয়া ওই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, 'আমাকে কী অপরাধে আটক করা হলো আমি নিজেও জানি না। আমার নামে কোনো গ্রেপ্তারি মামলা ছাড়াই জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। আমরা রাজনৈতিক পরিবারে বড় হয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে আমি দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই হয়তো এই আটক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।'

আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার তদন্ত অফিসার বজলুর রশিদ বলেন, 'তাকে আটক করা হয়েছে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায়। মূলত এই ধারায় কেউ কাউকে বিরক্ত বা রাস্তাঘাটে অবৈধ গাড়ি পার্কিং করলে পুলিশ যে কাউকেই আটক করতে পারে’।