টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলহাজত থেকে টাঙ্গাইল বিচারিক আদালতে আনা হয়। পরে ১১টা ২৭ মিনিটে টাঙ্গাইলের অতিরিক্তি জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক রাশেদ কবির এ চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন।
এর আগে বুধবার দুপুরের দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানাকে টাঙ্গাইল জেলহাজতে আনা হয় বলে টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানবীর আহাম্মেদ নিশ্চিত করেছেন।
রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলার সাক্ষী ডা. আশরাফ আলীকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য হাজিরা প্রদান করেন এবং আব্দুল আওয়াল নামের এক সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ করে। পরে মামলার বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীর জেরা সমাপ্ত করেন। এই সাক্ষীসহ আদালতে মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য সমাপ্ত হলো।
এর আগে ২০১৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্যদিয়ে এ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
অপরদিকে গতকাল উচ্চ আদালতে দুই যুবলীগ নেতার হত্যা মামলায় আসামি আমানুর রহমান খান রানাকে জামিন দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।
এই মামলায় সাবেক এমপি রানা ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪জন আসামি রয়েছে।