নির্মাণ অবকাঠামো, কাঠ ও আসবাবপত্র সংশ্লিষ্ট শিল্পের সর্বাধুনিক উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও পণ্য প্রদর্শনের জন্য ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। শেষ হবে আগামীকাল ২২ জুন। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ বিল্ডকন-২০১৯’ এবং ‘জেট প্রেজেন্টস বাংলাদেশ উড-২০১৯’ শীর্ষক প্রদর্শনী দুটির উদ্বোধন করেন ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে।
আগের বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারও আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ফিউচারেক্স ট্রেড ফেয়ার অ্যান্ড ইভেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে প্রদর্শনী দুটির পঞ্চম আসরের আয়োজন করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এ এন এম এনায়েত উল্লাহ, ফার্নিচার সেক্টর ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবু ইউসুফ, বাংলাদেশ ফার্নিচার এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কে এম আক্তারুজ্জামান, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) ডিরেক্টর মোহাম্মদ শামীম আক্তার; ফিউচারেক্স ট্রেড ফেয়ার অ্যান্ড ইভেন্টস প্রাইভেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রেম আনভেশি, আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর নন্দ গোপাল কে এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর টিপু সুলতান ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
প্রদর্শনী দুটিতে বাংলাদেশসহ চীন, ভারত, তুরস্ক, হংকং, যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রিয়া, মালয়েশিয়া ও ইতালির ২৫০টি প্রতিষ্ঠান ৩ হাজারেরও বেশি পণ্য তুলে ধরছে। নির্মাণ শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল, ইকুইপমেন্ট, মেশিনারি এবং প্রযুক্তি তুলে ধরা হবে। এছাড়া কাঠ ও আসবাবপত্র শিল্প নিয়ে অন্য প্রদর্শনীতে এ সংশ্লিষ্ট মেশিনারি, হার্ডওয়্যার অ্যান্ড টুলস, ফিটিং অ্যান্ড ফিক্সচার, লেমিনেট, বোর্ড, কোটিং, অ্যাব্রেসিভ অ্যান্ড অ্যাডেসিভসহ অন্যান্য পণ্য প্রদর্শিত হবে।
আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের নির্মাণ এবং আসবাব শিল্পকে আরও আধুনিকীকরণ এবং এর উৎপাদন বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নে সক্ষম করতে আমাদের এই আয়োজন। তারা বলেন, বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে আমাদের স্থানীয় শিল্পের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ প্রদর্শনী দুটিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ অংশগ্রহণ করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিশ্বমানের আসবাব তৈরি হচ্ছে, যা প্রদর্শনীতে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে বলেও জানানো হয়।