হারলেই শেষ। জিতলে কিছুটা হলেও টিকে থাকবে আশা। এমন হিসেব সামনে রেখে বিশ্বকাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি পাকিস্তান। ক্রিকেটের তীর্থস্থান লর্ডসে এই লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ।
পাঁচ ম্যাচে এক জয় ও তিন হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে এখন পাকিস্তান। বৃষ্টির কারণে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। আজ জয়ে ফিরতে মরিয়া সরফরাজ আহমেদের দল।
অন্যদিকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে দক্ষিণ আফ্রিকাও। ছয় ম্যাচে এক জয় ও ৪ হারে তিন পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে প্রোটিয়ারা। বৃষ্টির হানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের ম্যাচ ছিল অমীমাংসিত। জয়ের স্বপ্ন দেখছে প্রোটিয়া ক্যাপ্টেন ফাফ দু প্লেসিও।
পরিসংখ্যান বলছে, ওডিআই ক্রিকেটে এ পর্যন্ত ৭৮ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান। পাকিস্তান জিতেছে ২৭ ম্যাচে আর দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছে ৫০ ম্যাচে। একটি ম্যাচ ফলহীন ড্র হয়েছে।
বিশ্বকাপ আসরেও পাকিস্তান থেকে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। চার দেখায় তিন জয় প্রোটিয়াদের। এক জয় পাকিস্তানের।
ম্যাচটিকে পাকিস্তান একাদশে দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। একাদশে নেই অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক ও পেসার হাসান আলি। সবশেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে উভয়ই ছিলেন ব্যর্থ। তাদের জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন হারিস সোহেল ও শাহিন আফ্রিতি। কোনো পরিবর্তন নেই দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে।
পাকিস্তান একাদশ: ইমাম-উল-হক, ফখর জামান, বাবর আজম, মোহাম্মদ হাফিজ, সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), হারিস সোহেল, ইমাদ ওয়াসিম, শাদাব খান, ওয়াহাব রিয়াজ, শাহিন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আমির
দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক (উইকেটকিপার), হাশিম আমলা, ফাফ দু প্লেসি (অধিনায়ক), এইডেন মারক্রাম, রাসি ফন দার ডুসেন, ডেভিড মিলার, আন্দিল ফেলুকওয়ায়ো, ক্রিস মরিস, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি ও ইমরান তাহির