ঢাবিতে প্রশ্নফাঁস

৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযোগপত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে চার্জশিটটি জমা দেন মামলার তদারকি কর্মকর্তা সুমন কুমার দাস। আগামী ২৬ জুন মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের সংশ্লিষ্ট (জিআর) শাখায় অভিযোগপত্রটি দাখিল করা হয়েছে। এতে ঢাবির ৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং একজন ছাড়া তাদের সবাই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে সব আসামি জামিনে আছে। পলাতক ৭৮ জন। তিনি বলেন, ৮৯ জন আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। তাদের প্রকৃত নাম-ঠিকানা পাওয়া গেলে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আলোচিত এ ঘটনার শুরু ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগের রাতে ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর। ওই রাতে একজন গণমাধ্যমকর্মীর দেওয়া কিছু তথ্যের সূত্র ধরে ঢাবির দুটি আবাসিক হলে অভিযান চালায় সিআইডি। অভিযানে মামুন ও রানা নামে দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন পরীক্ষার হল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় রাফি নামে ভর্তিচ্ছু একজন শিক্ষার্থীকে। এরপর ধীরে ধীরে এই প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য হিসেবে অন্তত ২০০ জনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায় সিআইডি।