উপবনের যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল 'অতিরিক্ত ভাড়া'

কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল স্টেশনের অদূরে রবিবার রাতে দুর্ঘটনাকবলিত ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেসের অনেক যাত্রী অতিরিকত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ এনেছেন।

রোববার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহবাজপুর সেতু বন্ধ থাকায় সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ ছিল। একারণে ট্রেনে যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ ছিল। এক হাজারেরও বেশি অতিরিক্ত যাত্রী উপবন এক্সপ্রেসে ওঠেন বলে জানা গেছে।

সিলেট রেলওয়ে স্টেশন সূত্র জানায়, উপবন এক্সপ্রেসের ৬১০ আসন পুরো হওয়ার পাশাপাশি স্ট্যান্ডিং টিকেটে আরো প্রায় হাজারখানেক যাত্রী ছিলেন। ওই দিনে ট্রেনে বগির সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছিল।

অনেক যাত্রী অভিযোগ করেন তাদের কাছ থেকে এ সময় দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হয়েছে। কামরুল ইসলাম মামুন নামে এক যাত্রী বলেন, তার কাছ থেকে ২৫০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা রাখা হয়।

রেলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, ওভারলোডেড ট্রেনটি দ্রুত গতিতে পুরোনো ওই সেতুটি পার হওয়ার সময় সেতু ভেঙে পড়ে।

সোমবার ঢাকায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমও জানান, উপবন এক্সপ্রেস ওভার লোডেড ছিল।