নিরাপদ খাদ্যের জন্য এককেন্দ্রিক প্রশাসন প্রয়োজন

প্রতিদিনের খাবারে ভেজাল-দূষণ আর তা রোধের জন্য ভেজালবিরোধী অভিযানের খবর পাওয়া যায় প্রায়ই। কিন্তু মাছ-মাংস, ফলমূল, শাক-সবজি থেকে শুরু করে চাল-ডাল, তেল-নুন, হলুদ-মরিচ, দুধ-দই-ঘিতে ভেজাল-দূষণ বন্ধ হচ্ছে না। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নানা রাসায়নিক, ভয়ংকর ফরমালিন, অ্যান্টিবায়োটিক, সিসার মতো প্রাণঘাতী নানা উপাদান থেকে যেন ভোক্তাদের নিস্তার নেই। সম্প্রতি খাদ্যে ভেজাল-দূষণ রোধের জন্য জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বা বিএসটিআইয়ের তৎপরতার পাশাপাশি দেখা গেল উচ্চ আদালতের নানা নির্দেশনাও বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এরই মধ্যে দুধ ও অন্যান্য খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা করে বিএসটিআই জানায় তারা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদান পায়নি। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন মারাত্মক ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক, ডিটারজেন্ট ও সাইক্লামেট পাওয়ার কথা। এসব নিয়ে দেশ রূপান্তরের মুখোমুখি হয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক এবং বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক আ ব ম ফারুক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আহমেদ মুনীরুদ্দিন

দেশ রূপান্তর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের গবেষকরা সম্প্রতি পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধ এবং অন্যান্য কিছু খাদ্যপণ্যের মান পরীক্ষা করে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের গবেষণার কারণ কী?

আ ব ম ফারুক : আমরা নিয়মিতই নানা ধরনের খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য পরীক্ষা করে থাকি। আমাদের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষাসূচিতে খাদ্য প্রযুক্তি আছে, প্রসাধন বিজ্ঞান আছে। ফার্মেসি অনুষদ কেবল ওষুধ নিয়েই কাজ করে না, খাদ্য ও প্রসাধনী নিয়েও কাজ করে। আর এটা শুধু এখানে নয়, দুনিয়াজুড়েই এটা ফার্মাসিস্টদের কাজ, এসব তারাই করেন। এখন বিষয় হলো আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের তো কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষা দিলেই হবে না, তাদের তো প্র্যাকটিক্যালি গবেষণারও কাজ করতে হবে, শিক্ষার প্রায়োগিক দিকগুলোতে দক্ষ করে পেশাদার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। এ কারণে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এমন নানা গবেষণা করতে দিইÑ দুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিশুখাদ্য ও পুষ্টির উৎস ঠিক আছে কি না; এবার আমে ফরমালিন আছে কি না ইত্যাদি। অ্যাকাডেমিক ইন্টারেস্ট বা শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই আমরা এসব পরীক্ষা করি। কিন্তু এবারই প্রথম আমরা পরীক্ষার ফল প্রকাশ করলাম। এটা করেছি একটা দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে। দেশে খাদ্য মান এবং নিরাপদ খাদ্য নিয়ে সম্প্রতি যেসব ঘটনা ঘটতে দেখছি, সে কারণেই জনস্বাস্থ্য এবং জনস্বার্থের কথা ভেবে আমরা কিছু খাদ্যপণ্য নিয়ে এই গবেষণার ফল প্রকাশ করেছি।

দেশ রূপান্তর : গবেষণায় কী দেখতে পেয়ে আপনাদের মনে হলো যে বিষয়টা সবাইকে জানানো প্রয়োজন? আপনারা যেসব ক্ষতিকর উপাদান পেয়েছেন সেগুলো সম্পর্কে একটু বিশদভাবে বলুন।

আ ব ম ফারুক : এবারের গবেষণায় তিনটা জিনিস খুব ব্যতিক্রমী এবং ভয়াবহ আশঙ্কার বিষয় মনে হয়েছে। কেননা এগুলো সবই মানুষের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এক. হলুদের মধ্যে ‘মেটানিল ইয়োলো’ পাওয়া গেছে, যেটা টেক্সটাইল ডাই বা কাপড়ের রং। এটা দেখে আমরা স্তম্ভিত হয়ে গেছি, কেননা এটা মানবদেহের জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর। কেবল হলুদের গুঁড়োকে আরও হলুদ দেখানো, তরকারিটা আরও হলুদ দেখানোর জন্য এই মারাত্মক বিষাক্ত রং মানুষকে খাওয়ানো হচ্ছে। এটা এভাবে বাজারে ছেড়ে দেওয়া যায় না। এটা থেকে কিডনির ক্ষতিসহ ক্যানসারও হতে পারে। দুই. আমরা দুধের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক পেলাম। এখন কথা হলো অ্যান্টিবায়োটিক এমনিতেই খুব স্পর্শকাতর একটা বিষয়। আমাদের হাতে অ্যান্টিবায়োটিক কমে আসছে। আর যত আমরা থার্ড, ফোর্থ বা ফিফথ জেনারেশন অ্যান্টিবায়োটিকের দিকে যাচ্ছি, ততই সে সবের দাম বেড়ে যাচ্ছে। যে মানুষ আজ না জেনেই দুধের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছে, তার শরীরে তো কাল কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না। কেননা, নিয়মিত এভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার কারণে সেটার ‘রেজিস্ট্যান্স’ তৈরি হয়ে যাবে। ফলে পরে আর অ্যান্টিবায়োটিক খেলেও রোগজীবাণু মরবে না, ওষুধ বিকল হয়ে যাবে। জনস্বাস্থ্যের বিবেচনায় এটা মারাত্মক একটা সংকট। তিন. আমরা অবাক হয়েছি দুধের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্ট কীভাবে এলো। বিশেষ করে সাবান (ডিটারজেন্ট) এলো কীভাবে এটা আমরা বের করতে পারিনি। এটা তো ভয়াবহ ব্যাপার। শিশুদের জুসগুলোতে পাওয়া গেল সাইক্লামেট। আমার আপনার শিশুরা সাবান, সাইক্লামেট খাবে কেন?

দেশ রূপান্তর : আপনাদের গবেষণাগারের পরীক্ষায় বাজারে প্রচলিত সাতটি পাস্তুরিত দুধের নমুনায় মানব চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক এবং তিনটি অপাস্তুরিত দুধে ফরমালিন ও ডিটারজেন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় এমন কিছু পাওয়া যায়নি বলে তারা জানিয়েছেন। এতে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে সেটা কীভাবে নিরসন হবে?

আ ব ম ফারুক : প্রথম কথা হলো, বিএসটিআই তো অ্যান্টিবায়োটিক আছে কি নেই সেটা পরীক্ষাই করেনি, সেটা পাওয়া যাবে কীভাবে। আর দ্বিতীয় কথা হলো, বিভ্রান্তির কিছু নেই এখানে। আমাদের পরীক্ষার ফল বিষয়ে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা জ্ঞানচর্চা এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির কাজ করি। এই বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের টাকায় চলে এবং আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ বলেই জনস্বার্থে আমরা এটা করেছি। এই গবেষণা বা পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বাণিজ্যিক সংশ্লিষ্টতা যেমন আমাদের নেই, তেমনি পরীক্ষা পরিচালনা করা আমার সহকর্মী শিক্ষক এবং সিনিয়র ছাত্রছাত্রীদের নৈতিক চরিত্র নিয়েও আমরা আত্মবিশ্বাসী। ফলে কোনো প্রকার চাপ বা প্রভাব দিয়ে আমাদের টলানো যাবে না।

দেশ রূপান্তর : নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি তো কৃষি বা খাদ্য উৎপাদনের প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মোড়কজাত ও বিপণন করা এমনকি রান্না করা পর্যন্ত সবকটি ধাপেই সতর্কতা দাবি করে। আমাদের দেশে খাদ্যমান সুরক্ষা এবং খাদ্যে ভেজাল ও দূষণরোধে সংশ্লিষ্ট যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে তারা আসলে এই প্রক্রিয়া কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে মনে করেন?

আ ব ম ফারুক : আমরা মনে করি এতগুলো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা থাকায় কাজটা আরও জটিল হয়ে গেছে। মিউনিসিপ্যালিটি, ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ, নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন, বিএসটিআই। অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টের মতো হয়েছে ব্যাপারটা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় না থাকায় এবং সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনার মধ্য দিয়ে সবাই একযোগে কাজ না করার কারণেই মনে হয় এই সংকটটা তৈরি হয়েছে।

এ কারণেই আমরা মনে করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেমন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) রয়েছে, আমাদের এখানেও নিরাপদ খাদ্য এবং আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য এই রকম একটা এককেন্দ্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। মানুষের সংস্পর্শে আসে এমন যেকোনো কেমিক্যাল কম্পাউন্ড, যে কোনো ওষুধ, মশা মারার স্প্রে থেকে শুরু করে খাবার-দাবার সবই এফডিএ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু আমাদের এখানে এখনো প্রসাধনী নিয়ন্ত্রণের জন্য একটাও নেই, কিন্তু খাবার-দাবার ওষুধের জন্য আছে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান। এর ফলে কাজের ক্ষেত্রে নানারকম বাস্তবিক সমস্যার পাশাপাশি রেষারেষি ও অহংবোধের মতো নানা সমস্যায় পড়ে প্রতিষ্ঠানগুলো। এ জন্য যত দ্রুত সম্ভব এমন সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে একটা ছাতার নিচে নিয়ে এসে একটা এককেন্দ্রিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালু করা খুবই জরুরি।

 দেশ রূপান্তর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে সরকারের এই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কি কোনোরকম পরামর্শ বা গবেষণা সহায়তা গ্রহণ করে থাকে? কিংবা আপনাদের অর্জিত বা গবেষণালব্ধ জ্ঞানগত ধারণাগুলো কি তাদের সঙ্গে শেয়ার করার কোনো সুযোগ হয় আপনাদের?

আ ব ম ফারুক : না। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এটা হয় না। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজন আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছে এবং এখনো চায়। আমরা আনন্দের সঙ্গেই দায়িত্ব মনে করে সেসব সহায়তা করার চেষ্টা করি। ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে আলোচিত হওয়া ম্যাজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌলা অনেক আগে প্রথম আমাদের কাছে কিছু ফুড স্যাম্পল পাঠিয়ে সেগুলোর মান যাচাই করতে অনুরোধ করেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে আমরা সেটা করে দিয়েছি। নিরপেক্ষভাবে গবেষণা ও পরীক্ষার দায়িত্বপালনের কারণেই সরকারি মহলেও আমাদের ভূমিকা প্রশংসিত বলেই এখনো কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আমাদের এমন সহায়তা নেন।

দেশ রূপান্তর : নিরাপদ খাদ্য প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে মোড়কজাত খাদ্যপণ্যের মোড়ক বা প্যাকেট নিয়েও কথা হচ্ছে। কোমল পানীয়ের বোতল থেকে শুরু করে মসলার গুঁড়ো, চাল-ডাল, আটা-ময়দা-সুজি কিংবা দুধ-দই থেকে শুরু করে নানা শিশুখাদ্যের মোড়ক তৈরি হচ্ছে নানারকম ফয়েল ও প্লাস্টিক দিয়ে। এই প্লাস্টিক দূষণ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?

আ ব ম ফারুক : আসলে খাদ্য-পানীয়ের মোড়ক বা বোতলে তো ফুডগ্রেড প্লাস্টিক ব্যবহার করার কথা। কিন্তু এটা সত্য যে আমাদের এখানে কিছু কোম্পানির মোড়ক বা বোতলে ফুডগ্রেড কোয়ালিটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। দীর্ঘমেয়াদে এর স্বাস্থ্যঝুঁকি অবশ্যই রয়েছে এবং এ বিষয়েও আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

দেশ রূপান্তর : যেসব ক্ষতিকর রাসায়নিক ও নানারকম ক্ষতিকর উপাদান খাদ্যে মেশানো হচ্ছে, পশুখাদ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে,

কৃষিতে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে কিংবা মাছ মারতে ব্যবহার হচ্ছে, সাধারণ ব্যবসায়ী বা কৃষকরা এসব প্রযুক্তির কথাই বা জানলেন কীভাবে? আর এসব দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে না কেন? কিংবা নিষিদ্ধ হয়ে থাকলে সেগুলো আমদানি হচ্ছে কীভাবে? বিপণন ও ব্যবহার হচ্ছে কীভাবে?

আ ব ম ফারুক : আসলে সাধারণ কৃষক বা সাধারণ ব্যবসায়ীদের তো এমন বিজ্ঞান জানার কথা নয়। অবশ্যই কোনো না কোনো বিজ্ঞানী টাকার বিনিময়ে এই অপবিজ্ঞানের জ্ঞান তাদের দিয়েছেন। বিজ্ঞান মানুষের কল্যাণে কাজ করে, এটাকে কোনোভাবেই বিজ্ঞান বলা যাবে না, এটা অপবিজ্ঞান। যেমন ধরুন, একটা হরমোন আছে ‘প্ল্যান্ট হরমোন’, এটা ব্যবহার করে এখন খুবই দ্রুত ফল বড় করে ফেলা হয়, ফল পাকিয়ে ফেলা হচ্ছে। আর অনেক কিছুই নিষিদ্ধ হলেও সারা দেশেই তা পাওয়া যায়। কেননা সরকার অনেক ক্ষেত্রে নিজেরাই নিজেদের আইন মানে না। উদাহরণ হিসেবে বলি ‘সোডিয়াম সাইক্লামেট’-এর কথা। ১৯৮২ সালের প্রথম জাতীয় ওষুধ নীতিতেই এটা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

এটা দিয়ে বানানো ওষুধ ‘এসকোভিট’ নিষিদ্ধ করা হয়। কেননা সাইক্লামেট ক্যানসার তৈরি করে। ২০০৩ সালে বিএসটিআই

সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানায়, মিষ্টিজাতীয় সব খাবারেই সাইক্লামেট পাওয়া যাচ্ছে, এটা আমদানি নিষিদ্ধ করেন। এত জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সরকারের তিন বছর লাগে, ২০০৬ সালে তা নিষিদ্ধ হয়। আর এখন বাজারে বস্তা বস্তা সাইক্লামেট পাওয়া যাচ্ছে। পাওয়া যায়, কারণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিষিদ্ধ করলেও তাদেরই একটা শাখা চিফ কন্ট্রোলার অব ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস-‘সিসিআইই’ এটা আমদানি করে।

২০০৩ সালে বিএসটিআই সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানায়, মিষ্টিজাতীয় সব খাবারেই সাইক্লামেট পাওয়া যাচ্ছে, এটা আমদানি নিষিদ্ধ করেন। এত জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সরকারের তিন বছর লাগে, ২০০৬ সালে তা নিষিদ্ধ হয়। আর এখন বাজারে বস্তা বস্তা সাইক্লামেট পাওয়া যাচ্ছে। পাওয়া যায়, কারণ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিষিদ্ধ করলেও তাদেরই একটা শাখা চিফ কন্ট্রোলার অব ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস-‘সিসিআইই’ এটা আমদানি করে