উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পাট, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে। ফুলবাড়ীর বড়ভিটা, রাজারহাটের ছিনাই ও সদরের সারডোব এলাকায় নদীভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়কে শুলকুর বাজারে ধরলার পানির তোড়ে নির্মাণাধীন সেতুর বিকল্প সড়ক সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
পাঁচগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন জানান, কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়কের শুলকুর বাজার এলাকায় ধরলার শাখা পয়েন্টে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে বিকল্প সড়কের সেতুর দুদিকে ধরলা নদীর তীব্র স্রোতে ধসে পড়ায় শত শত মানুষ এখন ভোগান্তিতে পড়েছে। এই সড়ক দিয়ে পাঁচগাছি, যাত্রাপুর, ঘোগাদহ, বেগমগঞ্জ ও সাহেবের আলগার বিভিন্ন চরের মানুষ চলাচল করে। সড়ক বিচ্ছিন্ন হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আপাতত মানুষ নৌকায় পারাপার হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াছমীন বলেন, সরজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের সব নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা ব্রিজসংলগ্ন পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।