মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় বাদী মাহমুদুল হাসান নোমানের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে তিনি সাক্ষ্য প্রদান করেন। আদালত ৩০ জুন রবিবার বাদীসহ নুসরাতের দুই সহপাঠীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. শাহ আলম বলেন, আদালতে বাদীসহ তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৬ আসামিকে আদালতে আনা হয়। বাদীর আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৩০ জুন বাদীসহ নুসরাতের দুই সহপাঠীর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহজাহান সাজু বলেন, আদালতে বাদী মাহমুদুল হাসান নোমানের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে বাদীকে আসামিপক্ষের নয় আইনজীবী জেরা করেন। এর আগে ২০ জুন আদালত নুসরাতের বড় ভাই ও মামলার বাদী মাহমুদুল নোমান, নুসরাতের দুই সহপাঠী নিশাত ও ফুর্তিকে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তলব করে।
গত ২৯ মে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে ৮০৮ পৃষ্ঠাসংবলিত নথি ও চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম। গত ৩০ মে মামলার ধার্য তারিখে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে ১০ জুন মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়। পরে ১০ জুন আদালত চার্জশিট আমলে নিয়ে ২৭ জুন বাদীসহ তিনজনের সাক্ষগ্রহণের দিন ধার্য করে।
এ মামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা, নুরউদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের, জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার হোসেন রানা ও মহিউদ্দিন শাকিল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।