শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিতের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে ৯৮তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘গুণগত শিক্ষা, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ’। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৯৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯২১ সালের এইদিন ঢাবির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে মনোরম সাজে সাজানো হয়। বিভিন্ন ভবন ও হল আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল পতাকা উত্তোলন, পায়রা ওড়ানো, কেক কাটা, উদ্বোধনী সংগীত, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, গবেষণা ও আবিষ্কারবিষয়ক প্রদর্শনী, সাইকেল র্যালি, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ, শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন চত্বরে জাতীয় পতাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত ও উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর আগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোভাযাত্রাসহ প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন চত্বরে জমায়েত হন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। উপাচার্য র্যালির নেতৃত্ব দেন।
বেলা ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আলোচনা সভা হয়। উপাচার্যের সভাপতিত্বে এতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভায় উপাচার্য ৯৮তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে ‘মুজিববর্ষ ২০২০’, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উৎসব ২০২১’ এবং মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের আগমনী বার্তা হিসেবে অভিহিত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আখতারুজ্জামান আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সুসংহত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অভীষ্ট লক্ষ্যে উন্নীত করতে তিনি সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সমর্থন ও সহযোগিতা চান।