দুই মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে খুলনা-বরিশাল রুটে চলাচল করা অন্তত ৫০টি পরিবহনের বাস ২০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বরিশাল ও ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বে এই রুটে যাত্রীবাহী পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভেঙে ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে ভোগান্তিতে আছেন বাগেরহাটের ওপর দিয়ে চলাচলকারী হাজারো যাত্রী।
গতকাল শনিবার দুপুরে বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে বাগেরহাট ও খুলনার পাঁচটি বাস মালিক সমিতির জরুরি সভা শেষে সাংবাদিকদের জানানো হয়, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দুই মালিক সমিতির চলমান দ্বন্দ্ব প্রশাসন নিরসন না করলে দক্ষিণাঞ্চলের সাতটি বাস মালিক সমিতি খুলনা-বরিশালে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেবে।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার আবদুল বাকি সভা শেষে সাংবাদিকদের বলেন, খুলনা-বরিশাল রুটে প্রতিদিন ৫০টির মতো বাস চলাচল করে। প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলের বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি এবং বরিশালের কয়েক হাজার যাত্রী এই রুটে যাতায়াত করে থাকেন। খুলনা-বরিশাল রুটের বরিশাল ও ঝালকাঠি পরিবহন মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের কারণে যাত্রী পরিবহন করা ধানসিঁড়ি পরিবহনটি ২০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। সমস্যা নিরসনে খুলনা ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনারদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এই নেতা।
মালিক সমিতির নেতা মাসুদুর রহমান বলেন, এই রুটে যাতায়াতকারী হাজারো যাত্রী ছোট ছোট পরিবহনে ভেঙে ভেঙে চলাচল করছেন।
বরিশাল-পটুয়াখালী বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন লিপন বলেন, সমস্যা নিরসনে সাতটি বাস মালিক সমিতি সভা করে বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে।
চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে ঝালকাঠি জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মাহবুবুল হক দুলাল বলেন, বরিশাল ও পিরোজপুর গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।