লালমনিরহাটে ধরলার গ্রাস

ভাঙনের কবলে আশ্রয়কেন্দ্র একমাত্র বিদ্যালয়

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নে ধরলা নদীর ভাঙনের মুখে পড়েছে দুর্গম চর খারুয়া বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুটি স্থাপনা থেকে মাত্র ১২০ ফিট দূরত্বে অবস্থান করছে ধরলা। বন্যার সময় চারটি গ্রামের একমাত্র আশ্রয়স্থল খারুয়া বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ভাঙনের মুখে পড়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ওই গ্রামগুলোর মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্র সংলগ্ন চরের একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়েও শঙ্কিত চরের শিক্ষার্থীরা।

গত শুক্রবার খারুয়া চর এলাকা ঘুরে জানা যায়, গত পাঁচ বছরে ধরলার অব্যাহত ভাঙনে খারুয়া চরের শতাধিক বসতভিটা ও কয়েক হাজার একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ওই চরের কৃষকের কাছে একমাত্র অর্থকরী ফসল কলাবাগান একের পর এক নদীতে বিলীন হচ্ছে। অথচ পাঁচ থেকে সাত বছর আগেও ধরলা প্রায় তিন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছিল। বর্তমানে সর্বগ্রাসী ধরলা তাদের বাড়ির উঠান পর্যন্ত এগিয়ে এসেছে। ওই চরের বাসিন্দা আব্বাস আলী, দুই ভাই দুলাল হোসেন ও আমজাদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, ময়েজ উদ্দিন ভাঙন আতঙ্কে তাদের বসতভিটা অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা।