রিকশাচালকদের গ্রামে গিয়ে ধান কাটতে বললেন মেয়র খোকন

রাজধানীর কয়েকটি রুটে রিকশা চলাচল বন্ধ হওয়ার পর চালকদের কর্মসংস্থানের জন্য গ্রামে গিয়ে ধান কাটার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, ‘দুজন-তিনজন যাত্রী নিয়ে তারা কত কষ্ট করে রিকশা চালাচ্ছেন। এটা অনেকটা অমানবিকও

 

বটে। বিকল্প কর্মসংস্থান আছে। আজ গ্রামে ধান কাটার লোক পাওয়া যায় না। রিকশাচালক ভাইয়েরা সহজেই সেখানে গিয়ে কাজটা করতে পারেন।’ গতকাল সোমবার রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডেঙ্গুজ্বর ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় এক শিক্ষার্থী রিকশা বন্ধ হওয়ায় অসুবিধার কথা জানালে মেয়র কম দূরত্বের পথ ফুটপাতে হেঁটে চলাচলের পরামর্শ দেন।

পুরো ঢাকায় রিকশা বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে মেয়র বলেন, মেট্রোরেলের কাজ চলার কারণে রাস্তাগুলোতে যানজট প্রকট হয়ে গেছে। এ জন্য সড়কগুলো আপাতত রিকশামুক্ত করা হয়েছে। এ রাস্তাগুলোতে চলাচলের জন্য রাইড শেয়ারিং ও অন্যান্য যানবাহন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।

পৃথিবীর কোনো দেশের রাজধানীতে রিকশার মতো বাহন চলাচল করে না দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমরা তো একটা জায়গায় আটকে থাকতে পারি না। আমরা দেখতে পাই ৫০০ গজ দূরত্বে যেতেও রিকশায় চেপে বসি। আমরা যদি একটু হাঁটি, আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, ওজনও একটু কমবে। আমাদের হাঁটার অভ্যাস করতে হবে।’

মেয়র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমি জেনে-শুনে বলছি এটাতে প্রাণঘাতী তেমন কিছু নাই। ৭-১০ দিনে এটি ভালো হয়ে যায়। বাসায় বসে থেকেও এর চিকিৎসা করা যায়। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।’

১৫ জুলাই থেকে ডিএসসিসির ৫৭টি ওয়ার্ডে মেডিকেল টিম থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবস্থা করা হবে। একটি হটলাইন নম্বর থাকবে, ফোন করলে স্বাস্থ্যকর্মী আপনার বাসায় চলে যাবে।