দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালকের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানের মধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ
জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। দুদকের উপপরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি জানিয়েছেন।
এদিকে গতকাল দুদকে হাজির হওয়ার কথা ছিল দুদকের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের। তিনি কমিশনে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য অনুসন্ধান কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি আবারও নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ডিআইজি মিজানের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গতকাল দুদকের পরিচালক ও অনুসন্ধান দলের নেতা শেখ ফানাফিল্যাহ ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় মিজানকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানান। শুনানি শেষে আগামী ১৫ জুলাই মিজানকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদেশ দেয় আদালত। একই সঙ্গে আদালত আদেশের অনুলিপি কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপারের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ২৪ জুন দুদক মামলা করার পর ১ জুলাই ডিআইজি মিজান হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন। হাইকোর্ট জামিন আবেদন নাকচ করে মিজানকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ২৫ জুলাই তাকে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ২ জুলাই শাহবাগ থানা পুলিশ মিজানকে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির করে। ওই দিন তার পক্ষে জামিন আবেদনও করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন নাকচ করে মিজানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দি।