এবি ব্যাংক থেকে সিটিসেলের (প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড) নামে ৩৪৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হকসহ ১১ আসামির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশের বিশেষ শাখার বিশেষ সুপারের (ইমিগ্রেশন) কাছে দুদকের উপপরিচালক এম শামছুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। এর আগে গত ১০ জুন প্যাসিফিক টেলিকমের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা এম মোরশেদ খানের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেয় দুদক। এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ছাড়া গতকাল যাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে
তারা হলেন পরিচালক ফিরোজ আহমেদ ও সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসেন, শিশির রঞ্জন বোস, ফাহিমুল হক, মেসবাউল হক, জাকিয়া শাহরুদ খান রুনা, মিশাল কবির ও বিবি সাহা রায়।
ইমিগ্রেশন কর্র্তৃপক্ষকে পাঠানো দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্যাসিফিক টেলিকমকে জামানতবিহীনভাবে ‘ব্যাংক গ্যারান্টার’ অনুমোদনসংক্রান্ত শাখা প্রস্তাব ও ক্রেডিট কমিটির সুপারিশ মোতাবেক অবৈধভাবে ৩৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ দেয়। ব্যাংক গ্যারান্টি ব্যবহার করে প্যাসিফিক টেলিকম আটটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহায়ক ঋণ নিয়েছে। কিন্তু শর্ত অনুযায়ী ঋণগুলো পরিশোধ করেনি। প্যাসিফিক টেলিকমের গৃহীতে ঋণ পে-অর্ডারের মাধ্যমে সুদসহ ৩৮৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করায় বনানী থানায় ২০১৭ সালের ২৮ জুন তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা সপরিবারে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা আবশ্যক। চিঠিতে আসামিদের পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে বিদেশ গমন রোধ করতে বলা হয়েছে।