৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শোহরাব হোসেন (১৯) নামের এক যুবককে আটক করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াপাড়া বাজারের একটি দোকান থেকে অভিযুক্ত শোহরাব হোসেনকে আটক করা হয়।

আটক শোহরাব হোসেন নোয়াপাড়া গ্রামের পুরানবাড়ীর ইমাম হোসেনের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় রামগঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর নোয়াগাঁও ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের পুরান বাড়িতে।

এ ব্যাপারে স্কুলছাত্রীর মা লুৎফা বেগম শুক্রবার রাত ১০টায় রামগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

স্কুল ছাত্রীর মা লুৎফা বেগম জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বৃষ্টির সময় নোয়াপাড়া পুরান বাড়ির লোকজন বাড়ির পার্শ্ববর্তী নালায় মাছ ধরতে চলে যায়।

কিছুক্ষণ পর নোয়াপাড়া পুরান বাড়ির জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে স্থানীয় নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী (১২) মাছ ধরা দেখতে যাওয়ার সময় বাড়ির পূর্ব পাশের ঘাটলায় পথরোধ করে একই বাড়ির চাচাতো ভাই শোহরাব হোসেন।

পরে ঘাটলার ফ্লোরে স্কুল ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটি কান্নাকাটি করলে শোহরাব হোসেন তার হাতের মুঠোয় ৫০ টাকা দিয়ে কাউকে বলতে নিষেধ করে।

সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে স্কুলছাত্রীর মা লুৎফা বেগম ঘরে ফিরে আসলে স্কুলছাত্রী তার মাকে ঘটনাটি খুলে বলে। ঘটনাটি এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য লোককে বিষয়টি জানালে তারা ঘটনাটি প্রকাশ না করে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতে চাপ প্রয়োগ করে।

শুক্রবার বিকেলে মেয়ের বাবা জাহাঙ্গীর আলম রামগঞ্জ থানা পুলিশে ঘটনাটি জানালে রামগঞ্জ থানার এসআই কাউসারুজ্জামান সন্ধ্যা ৭টায় স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় শোহরাব হোসেনকে নোয়াপাড়া বাজারের একটি দোকান থেকে আটক করে।

রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকায় অভিযান চালিয়ে শোহরাব হোসেনকে আটক করেছি। এ ব্যাপারে রাত ১০টায় স্কুল ছাত্রীর মা লুৎফা বেগম রামগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষণের আলামত সংগ্রহে স্কুলছাত্রীকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।