ফেনীর পানিবন্দী ১০ স্কুলে পাঠদান বন্ধ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দী হয়ে ফেনীর পরশুরাম-ফুলগাজী উপজেলার ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে।

আগামী আগস্ট মাসের শুরুতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মধ্য বার্ষিকী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার থেকে লাগাতার বৃষ্টি ও পাহাড়ি পানির চাপে মূহুরী-কহুয়া নদীর অন্তত ১১ স্থানের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। প্রবলবেগে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। বিভিন্ন গ্রামে অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ফলে স্থগিত করা হয় দুই উপজেলার ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান।

পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টি ও উজানের পানিতে নিম্নাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোর মাঠ ও শ্রেণি কক্ষ প্লাবিত হয়েছে। পরশুরাম উপজেলার দূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  নোয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেড়াবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফুলগাজী উপজেলার পশ্চিম ঘনিয়ামোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিসমত ঘনিয়ামোড়া  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈরাগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বন্যা কবলিত আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

বৈরাগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মোতালেব জানান, বন্যায় বিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকা পানিবন্দী হয়ে পড়ায় ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না।

পরশুরাম উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠে ও ফ্লোরে পানি থাকায় শ্রেণি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।

ফুলগাজী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাতেমা ফেরদৌসি জানান, ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের ৪টি বিদ্যালয় বন্যায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হবে।