এখন মাঠে তেমন ফসল না থাকায় বন্যায় কৃষিতে ক্ষতি কম হবে বলে মনে করছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে চাল রপ্তানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বন্যার প্রয়োজনীয়তার দুটি কারণ উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা যে সেচ ব্যবস্থায় গেছি তাতে নিচ থেকে পানি তুলে খরচ করতে হয়। এটা পূরণ করতে হবে। বন্যা না হলে, বৃষ্টি না হলে এটা কীভাবে হবে? পানির স্তর আস্তে আস্তে নিচে নেমে যাচ্ছে। আরেকটা কারণ হলো, বন্যার পানির সঙ্গে অনেক পলিমাটি আসে, যার মধ্যে অনেক সার আছে। এটাকে ছোট করে দেখার কোনো কারণ নেই।
বাংলাদেশ থেকে চাল আমদানিতে ফিলিপাইন আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আজ (গতকাল) ফিলিপাইন থেকে একটি পার্টি এসেছে। তারা চালের আমদানিতে ফিলিপাইন সরকারকে সহযোগিতা করে। দেশটির সরকারও বলছে, তারা জিটুজির মাধ্যমে বাংলাদেশের কাছ থেকেও চাল কিনতে পারে। তারা কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন মিলে গেছে, মান দেখেছে। তারা বলেছে, বাংলাদেশে চালের গুণগত মান ভালো। কী পরিমাণ চাল রপ্তানি করা যাবে জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এই মূহূর্তে বাংলাদেশে চাল উদ্বৃত্ত আছে। ১০ লাখ টন চাল রপ্তানি করলেও আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু যেকোনো সময় বন্যা হতে পারে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে পারে। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা গ্র্যাজুয়ালি যাব। ওরা এক লাখ টন নিতে চাচ্ছে।
চাল রপ্তানি করলে কৃষক পর্যায়ে কী প্রভাব পড়বে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, যদি পাঁচ লাখ টন চাল রপ্তানি করতে পারি অবশ্যই দামের ওপরে প্রভাব পড়বে। আমরা বলেছিলাম, তাই দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। আবার দাম কমার দিকে। সাধারণ মানুষ চাপে পড়বে কি না জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, না। সাধারণ মানুষ কোনো চাপের মধ্যে পড়বে না। কোনোক্রমেই কোনো চাপের মধ্যে পড়বে না।