‘অ্যাভেঞ্জার্স : এন্ডগেম’ সিনেমার মধ্য দিয়ে শেষ হলো মার্ভেলের জনপ্রিয় চরিত্র ‘আয়রনম্যান’-এর যাত্রা। কেবল ‘অ্যাভেঞ্জার্স’ আর ‘অ্যাভেঞ্জার্স ইনফিনিটি ওয়ার’Ñ এই দুটি সিনেমা দিয়ে তিনি আয় করেছেন যথাক্রমে ৪২৫ ও ৬৩৭ কোটি টাকা! আর সর্বশেষ ‘অ্যাভেঞ্জার্স এন্ডগেম’ দিয়ে যে তিনি কত আয় করেছেন, তার কোনো হিসাব নেই। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে তাকে মানুষ বলে মনে রাখতে বাধ্য হবে কেবল একটা সংলাপ দিয়ে। ‘আই অ্যাম আয়রনম্যান’ এই সংলাপের পর তার পরিচয় নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এক সংলাপে ডুবতে বসা ক্যারিয়ার এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স দুই-ই একসঙ্গে দেখেছে সাফল্যের মুখ। তার নাম রবার্ট ডাউনি জুনিয়র। কারও কাছে তিনি টনি স্টার্ক, আবার কারও কাছে শার্লক হোমস।
অথচ একসময় তিনি ছিলেন চূড়ান্ত হতাশাগ্রস্ত। ছয় বছর বয়সে নিয়মিত হেরোইন সেবন করা ডাউনি আট বছরের মধ্যেই হয়ে যান পুরোপুরি মাদকাসক্ত। কিন্তু সেখান থেকে তিনি বর্তমানে হলিউডের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনয়শিল্পীদের একজন। একজন টনি স্টার্ক কিংবা রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের উত্থান হয়েছিল মার্ভেলের অমতে। টনি স্টার্ক বা আয়রনম্যান চরিত্রের জন্য মার্ভেল বলেছিল ব্র্যাড পিট কিংবা টম ক্রুজের কাছে যেতে। কিন্তু এই চরিত্রের জন্য কেবল রবার্ট ডাউনি জুনিয়রকেই পছন্দ ছিল পরিচালক জন ফ্যাভ্রুয়ের। এই চরিত্র দিয়েই ঘুরে যায় রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের জীবনের মোড়। আর এখন তিনি মার্ভেলের নিশ্চিন্ত ভরসার পাত্র। তাই দ্য হলিউড রিপোর্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঘুরেফিরে সামনে আসে আয়রনম্যানের কথা। আর আলাপের শুরুতেই রবার্ট ডাউনি জুনিয়র সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি কোনো সুপারহিরো নই। বড়পর্দায় যে রবার্ট ডাউনি জুনিয়রকে সবাই দেখেন, বাস্তবের রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের সঙ্গে তার বিস্তর ফারাক।’