গত বুধবার রাতে কসবা উপজেলার বায়েক গোরাঙ্গলা এলাকার ২০৫৩নং পিলারের কাছের শূন্যরেখা দিয়ে ১২ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পুশব্যাকের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবি সদস্যদের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা শূন্যরেখায়ই অবস্থান করে। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও পাঁচ শিশু রয়েছে।
কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকার বিজিবি ক্যাম্পের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিজিবি-বিএসএফ কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই তাদের নিতে সম্মত হননি। রোহিঙ্গা নাগরিকরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। বিএসএফের পক্ষ থেকে খাবার সরবরাহ করা হলেও কোনো প্রকার তাঁবু টানিয়ে রাত কাটানোর ব্যবস্থা করেনি কেউ। বৃষ্টি এলে তারা পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে চলে যায়। বিজিবি সদস্যরা রাতদিন সতর্কতার সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় রয়েছে।
৬০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইকবাল হোসেন জানান, রোহিঙ্গাদের কাছে পাওয়া এবং বিএসএফের দেওয়া কার্ডগুলো যাচাইবাছাই করে যদি নিশ্চিত হই, তারা কক্সবাজার ক্যাম্পের তা হলে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে।