ছেলেধরা গুজব প্রসঙ্গে কাদের

সরকারকে বিপদে ফেলার ষড়যন্ত্র কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে

ছেলেধরা বিষয়ে সম্প্রতি সৃষ্ট গুজবগুলো সরকারকে বিপদে ফেলার চক্রান্ত কি নাÑ তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল, অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা কি না, তার সঙ্গে কারও কোনো যোগসাজশ আছে কি না এবং সরকারকে বিপদে ফেলার চক্রান্ত কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। ঈদুল আজহার প্রস্তুতি, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার ও সমসাময়িক ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যারা গুজব সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন হাতে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। এটি অপরাধ-অপকর্ম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবেও নির্দেশ দিয়েছি, দলের নেতারা যেন সতর্কতামূলক সভা ও সমাবেশ করেন। গুজব থেকে গণপিটুনির মতো দুঃখজনক ঘটনাগুলো যেন না ঘটতে পারে সেজন্য দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এমপিরাও যার যার এলাকায় গিয়ে সভা সমাবেশ করবেন। চিফ হুইপের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।’

সাত কলেজ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত সাত কলেজ নিয়ে আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে যৌক্তিক সমাধান দেবেন। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের বিষয়ে সজাগ আছি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি। তিনি এলে যৌক্তিক, বাস্তবসম্মত বিষয়টি বিবেচনা করবেন।’ তার আগে তারা যেন রাস্তা অবরোধ করে জনগণকে কষ্ট না দেয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার ক্ষতি না করে। তাদের অনুরোধ করছি, তারা যেন ধর্মঘটের পথ থেকে বিরত থাকে। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দুয়েক দিনের মধ্যে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

ডেঙ্গু : ঢাকাসহ সারা দেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে দুই মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন সচেতনতামূলক কাজ করছেন। দক্ষিণের মেয়র বলেছেন, ডেঙ্গুর ওষুধ কার্যকর নয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকরী ওষুধ দেবেন। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ওষুধ আনতে বলা হয়েছে।’