জেলার ফতুল্লায় মো. শাকিল (৩০) নামে এক যুবক ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় তুহিন নামে এক ব্যক্তিকে দায়ী করে নিহতের স্বজনরা বলছেন, মোটরসাইকেলের হেডলাইটের আলো চোখে পড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ওই ব্যক্তি সহযোগীদের নিয়ে শাকিলসহ কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। গত শনিবার রাত পৌনে ১১টায় সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম দেওভোগ মাদ্রাসা হাসেমবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও অন্যদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহত শাকিল দেওভোগ পূর্বনগর এলাকার মৃত আমান উল্লাহর ছেলে। আহতদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন শাওন, সজীব ও সুভাষ।
আহতদের বরাত দিয়ে স্বজনরা জানান, পানি ব্যবসায়ী সজীব মোটরসাইকেল চালিয়ে শহরের দুই নম্বর রেলগেট থেকে বাংলাবাজার এলাকায় বাসায় ফিরছিলেন। হাসেমবাগ এলাকা অতিক্রমকালে মোটরসাইকেলের আলো স্থানীয় তুহিনের চোখে পড়লে থামিয়ে হেডলাইটটি ভেঙে ফেলে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে তুহিন সহযোগীদের নিয়ে সজীবকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। এ সময় লোকজন এগিয়ে গেলে তাদেরও কোপানো হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত তুহিন মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত বলে স্থানীয়রা জানান।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে শাকিল মারা যান। অন্যদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করছে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।