ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের টিকিট পাওয়া সোনার হরিণ পাওয়ার চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। প্রতি বছর চোখে পড়ে রেলস্টেশনে এবং বাসটার্মিনালে টিকিট হাহাকারের খবর। রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিটের জন্য মধ্যরাত থেকে অপেক্ষা করেও সকালে শূন্য হাতে ফিরে আসার ঘটনা নতুন কিছু নয়। সারা বছর ট্রেনের টিকিটের ৩৮ শতাংশই তো বিভিন্ন কোটায় সংরক্ষিত থাকে। আর বাকি ৬২ শতাংশ টিকিটের জন্য মধ্যরাত থেকে কাউন্টারে পড়ে যায় সাধারণ মানুষের লাইন। আর এই সুযোগে দৌরাত্ম্য বেড়ে যায় টিকিট কালোবাজারিদের। রেলের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশেই টিকিট কালোবাজারি হয়Ñ এ কথা সবারই জানা। অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে বলা হয় সব টিকিট শেষ। অন্যদিকে বাস টার্মিনালগুলোতেও দেখা যায় একই অবস্থা। সেখানেও বলা হয় সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। লঞ্চ সার্ভিসে অগ্রিম টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেও কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে ব্যাপক হারে। এতে জনসাধারণ পড়ছে চরম ভোগান্তিতে। তাদের ঈদ যাত্রায় দেখা দিচ্ছে চরম অনিশ্চয়তা। তাই সময় থাকতে টিকিট কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে যেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে, আমরা সেই প্রত্যাশা করি।
মো. ওসমান গনি শুভ, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।