ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় বাসা-বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন এর মেয়র আতিকুল ইসলাম।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরায় হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ডিএনসিসি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ওয়ার্ডভিত্তিক বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে এডিস মশানিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এমনটা জানান।
তিনি বলেন, নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে রেহাই দিতে এবার বাসা-বাড়িতেও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মেয়র বলেন, এডিস মশা নির্মূলে প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি ভাগে ভাগ করে ৫৪ ওয়ার্ডে সোমবার থেকে ডিএনসিসি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়একযোগে কাজ শুরু করবে। এ কর্মযজ্ঞে প্রচুর স্বেচ্ছাসেবী দরকার হবে। যুব উন্নয়ন অধিদফতরের ৬০০ যুব ডিএনসিসিতে কাজ করবে।প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডে ডিএনসিসির ওয়ার্ড কমিটি ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে স্কাউটস, ছাত্রছাত্রী, এলাকাবাসী এবং যুব সংগঠনসমূহকে তিনি একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি সব সাংবাদিককে বিভিন্ন এলাকার অপরিচ্ছন্নতার পূর্ণ তথ্য দিয়ে ডিএনসিসিকে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ জানান।
ডিএনসিসির সব মশক সুপারভাইজার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফোন নাম্বার শুক্রবার তিনটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে জানিয়ে মেয়র সেগুলো সংগ্রহের অনুরোধ করেন। অন্যান্য জাতীয় দৈনিকেও এ তথ্য প্রচার হবে বলে জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ডিএনসিসি এখন থেকে নিজেই মশার ঔষধ ক্রয় করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে ঔষধের মান সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, দু-একদিনের মধ্যে নতুন ঔষধের নমুনা এসে পৌঁছাবে। নমুনা পরীক্ষা করার পর যত দ্রুত সম্ভব ওষুধ কেনা হবে। শুধু ভারত নয়, আমরা যেকোনো দেশ থেকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিতে প্রস্তুত।
মেয়র বলেন, আমাদের আন্তরিকতার কোনো কমতি নেই, তবে এখন থেকে বছরে ৩৬৫ দিনই এডিস মশা নিয়ে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, যুব উন্নয়ন অধিদফতরের মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফছার উদ্দিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।