বক, শালিক, ঘুঘু, চড়ুই, ডাহুকের মাংসের হোটেল!

নিভৃত গ্রামের হোটেল। চার বছর ধরে এখানে রাতচরা, বক, শালিক, ঘুঘু, চড়ুই, ডাহুক, শামুক খোলসহ যখন যে পাখি পাওয়া যেত তা রান্না করে বিক্রি করে হতো।

পাখির মাংসের এই হোটেল মালিকের নাম হাফিজুল ইসলাম। তিনি নাটোর সদর উপজেলার হালসা ইউনিয়নের অর্জনপুর গ্রামের বাসিন্দা। নিজ গ্রামেই এ  ব্যবসা চালাতেন হাফিজুল। 

শনিবার সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম শামসুল আরেফীন তাকে ওই সাজা দেন।

জানা যায়, হাফিজুলের ব্যবসা বেশ রমরমা ছিল। নানা রকম পাখির মাংসের স্বাদ নিতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসত ওই হোটেলে। দেরিতে হলেও বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে আসে। 

শনিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম শামসুল আরেফীনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। সেখানে দুটি বালিহাঁস, চারটি বক, ৫০টি চড়ুইসহ বেশ কয়েক প্রজাতির পাখির রান্না করা মাংস জব্দ করা হয়।