পশু কোরবানি নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন

ডেঙ্গুজ্বরের ভয়াবহ প্রকোপের মধ্যেই এবার উদযাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ডেঙ্গুর বিস্তার রাজধানী ঢাকাতেই সবচেয়ে বেশি। ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। এই মহানগরে সারা বছর ধরেই এমনকি প্রধান সড়কগুলোতেও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়।  বিভিন্ন স্থানের উন্মুক্ত ডাস্টবিনগুলোর দুর্গন্ধের কারণে পথচারী চলাচল করতে হয় নাক চেপে ধরে। আর প্রতি বছরই যত্রতত্র পশুর হাট বসতে দেখা যায়। নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় রাস্তার ওপরই পশু জবাই করা হয়। জবাইয়ের পর যথাযথভাবে পরিষ্কার না করায় রক্ত আর গরু-ছাগলের গোবরের উৎকট গন্ধে ঈদের পর কয়েকদিন ধরে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা খুবই মুশকিল হয়ে যায়। এসব ময়লা-আবর্জনা ঢাকার পরিবেশকে আরও দুর্বিষহ করে তোলে। তাই এবার ডেঙ্গুর বিস্তার রোধের বিষয়টি মাথায় রেখে রাজধানী ঢাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জরুরি। নইলে সাধারণ বর্জ্যরে সঙ্গে পশু জবাইয়ের বর্জ্য মিলে পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন প্রতিটি ওয়ার্ডে পশু জবাইয়ের বিশেষ ব্যবস্থা নিতে পারে। একই সঙ্গে ঈদের দিনই সব জায়গা থেকে বর্জ্য পরিষ্কার করার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ওয়ারিস হাফিজ, রামপুরা, ঢাকা