নীলফামারীতে থানা হাজতে আসামির মৃত্যু

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পুলিশ হেফাজতে থাকা থানাহাজতে ফাঁস দিয়ে এক আসামির আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। অবশ্য মৃতের পরিবারের দাবি তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আব্দুল্লাহ আল মামুন (২২) কিশোরগঞ্জের যদুমনি গ্রামের মৃত হুজুর আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, থানাহাজতে থাকা কাঁথা ছিঁড়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। সদর ইউনিয়নের কেসবা তেলিপাড়া গ্রামের

আবদুল কুদ্দুসের একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে গরুসহ এলাকাবাসী শনিবার দুপুরে তাকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে। এ ঘটনায় থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন। তাকে থানাহাজতে রেখে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। এরই মধ্যে আত্মহত্যা করেন তিনি।

এদিকে আব্দুল্লাহ আল মানুনের মা মনিরা বেগম (৫০) দাবি করেন, ‘পুলিশ আমার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ মিথ্যা।’ আসামির মায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি হারুন-অর রশীদ বলেন, ‘এর আগেও সে চুরি ও মাদকের মামলায় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল জানান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেটের উপস্থিতিতে লাশ নামানো হয়েছে, তিনিই লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করবেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে।