ফেনীতে বাস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮

ফেনীতে পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী বাইপাস অংশের লেমুয়া ব্রিজ এলাকার তিব্বতিয়া কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় ৭ জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও আহতরা জানায়, বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জে আদমজি থেকে কক্সবাজারে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রাইম প্লাস পরিবহনের (ঢাকা- মেট্রো-ব ১৪-৭৫৭৮) একটি বাস যাত্রী নিয়ে আড়াইটার দিকে রাজধানীর মিরপুরে আসে।

সেখান থেকে আরো কিছু যাত্রী নিয়ে রওনা দেয়। ভোর পৌনে ৬টার দিকে ফেনীর মহাসড়কের লেমুয়া এলাকায় পৌঁছে। এসময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

এতে ঘটনাস্থলে ৬ জন নিহত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন ও ঢাকায় নেওয়ার পথে আরও একজন নিহত হন।

নিহতদের মধ্যে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার শাহাদ হোসেন (৩০) ও ঢাকার বিক্রম পুরের সুজন’র (২৮) নাম জানা গেছে। বাকিদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

এছাড়া ২৫০ শয্যার ফেনী জেনারেল হাসপাতলে ঢাকার মীরপুরের আসলামের ছেলে আখতার (২২), জগদাশীর ছেলে অপু (২৫), শওকত হোসেনের ছেলে ইকবাল (৩৮), মো. সেলিমের ছেলে দুলাল (২৭), সকিনা (৬৫), নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকার মনোয়ার হোসেনের মেয়ে আছমা (১৮), মুন্নার ছেলে ফয়সাল (২৩), সামছু উদ্দিনের ছেলে মুন্না (৫০), আজম (১৮), মো. সেলিমের ছেলে দুলাল (১৩), মাদারীপুরের আলী আছমতের ছেলে রিপন (৩০), টঙ্গীর আবদুল্লা শেখের ছেলে রিপন (৪০) চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফেনী জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু তাহের পাটোয়ারী জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। গুরুতর আহতদের ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের এখানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ফেনীর মহিপাল হাইওয়ে থানার এসআই কাউছার রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি চিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজনের মৃত্যুর খবর জেনেছেন কিন্তু নিশ্চিত করতে পারেননি বলে জানান।