হেডিংলি টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন স্মিথ

লর্ডস টেস্টে জফরা আর্চারের বাউন্সারে আহত হয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ। কনকাশনে ভোগায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে পারেননি। তৃতীয় টেস্টে খেলার আশা প্রকাশ করলেও সেটি হচ্ছে না। হেডিংলি টেস্ট থেকে স্মিথের ছিটকে যাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার।

বল ট্যাম্পারিং কাণ্ডে এক বছর নিষিদ্ধ থাকার পর অ্যাশেজ দিয়েই সাদা পোশাকে প্রত্যাবর্তন হয় স্মিথের। এজবাস্টনে প্রত্যাবর্তন ম্যাচের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করে দলকে উপহার দেন জয়।

লর্ডসেও দলের বিপর্যয়ে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন স্মিথ। প্রথম ইনিংসে খেলেন ৯২ রানের ইনিংস। তবে সেই ইনিংসের পথে টেস্টের চতুর্থ দিন আর্চারের ছোড়া ভয়ানক এক বাউন্সার তার ঘাড়ে আছড়ে পড়ে।

সাথে সাথে মাটিতে লুটে পড়েন স্মিথ। শুশ্রূষা নিতে ড্রেসিং রুমেও ফিরতে। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে যোগ করেন আরো ১২ রান। তবে ‘কনকাশন’ টেস্ট উতরাতে না পেরে পঞ্চম দিন আর মাঠে নামতে পারেননি। তার বদলি হিসেবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করেন মারনাস লাবুশান। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম বদলি খেলোয়াড় হিসেবে যার নাম লেখা হয়েছে।

মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া দলের অনুশীলনে এসেছিলেন স্মিথ, কিন্তু কোনো ট্রেনিং করেননি। ২০ মিনিট সময় কাটান সতীর্থদের সঙ্গে। এ সময় মনমরা দেখা গেছে তাকে।

লর্ডসে স্মিথের বদলি নেমে লাবুশানে দারুণ ব্যাটিং করেছিলেন। ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেডিংলিতে স্মিথের বদলি হিসেবে তাকেই দেখা যেতে পারে।

অ্যাশেজে ৩ ইনিংসে ৩৭৮ রান করেছেন স্মিথ। দুটি সেঞ্চুরি ও একটি ফিফটি। টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে এরই মধ্যে ওঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। এক নম্বরে থাকা বিরাট কোহলির ঘাড়ে ফেলছেন নিশ্বাস। স্মিথকে না পাওয়া তাই অস্ট্রেলিয়ার জন্য অপূরণীয় ক্ষতিই।