আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী

একুশে আগস্টের হামলা সম্পর্কে জানতেন খালেদা জিয়া

একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ভালোভাবেই সব জানতেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, এই হত্যাকা-ের বিচারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইডিইবি) মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের প্ররোচনায় এই হামলা হয় এবং তার মা খালেদা জিয়া এই হামলার ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সবকিছুই জানতেন। এই জঘন্য হামলার জন্য বেগম জিয়াকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, সে সময়ে ডিজিএফআই এ ঘটনার তদন্ত করতে চেয়েছিল, বেগম জিয়া তাদের তদন্ত করতে দেননি। ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন। গ্রেনেড হামলার পর হামলাকারীরা যাতে নির্বিগ্নে পালিয়ে যেতে পারে, সে জন্য পুলিশ এ ঘটনায় হতাহতদের উদ্ধার না করে বরং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর টিয়ারগ্যাস সেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।

হাছান মাহমুদ বলেন, ২০০৪ সালে এ হত্যাকাণ্ডকে যেভাবে উপহাস করা হয়েছিল, গতকাল (বুধবার) রিজভী সাহেব সংবাদ সম্মেলনে একইভাবে উপহাস করে বিএনপির ন্যক্কারজনক ভূমিকারই পুনরাবৃত্তি করেছেন। রিজভী বলেছেন, ‘এটি আওয়ামী লীগের সাজানো ঘটনা, তারা আত্মহত্যা করতে সেখানে গিয়েছিল।’ এ ধরনের কথা যারা বলে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও তার সহযোগীরা শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে এখন তাকে খতম করে রাজনীতি থেকে সরাতে চায়। 

আইডিইবির সভাপতি এ কে এম এ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভূঁইয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রওনক মাহমুদ ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোরাদ হোসেন মোল্লাসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

যশোর সরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ড. সৈয়দ আবদুল আজিজ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সেমিনারে পৃথক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।