আদালতে স্বীকারোক্তি

লক্ষ্মীপুরে ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে ব্যবসায়ী খুন

৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে চলন্ত অটোরিকশায় জেলার রায়পুরের কম্পিউটার ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করার পর ডোবায় ফেলে দিয়েছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে মেহেদী হাসান রুবেল। হত্যায় সহযোগিতা করেছে তার চাচাতো ভাই মো. ফয়েজ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মোকতার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শহরের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন (৪৫) হত্যা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল কাদেরের আদালতে তোলা হয়। পরে হত্যাকা-ের মূল পরিকল্পনাকারী মেহেদী হাসান রুবেল ও সিএনজিচালক সাগর কীভাবে ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে সে বিষয়টি আদালতে বর্ণনা দেয়। তাদের দুজনকে লক্ষ্মীপুর কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার পশ্চিম বটতলী এলাকার মেহেদী হাসান রুবেল ও দক্ষিণ মান্দারীর অটোরিকশাচালক সাগরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এ সময় হত্যাকান্ডে অটোরিকশা ও আত্মসাৎ করা আড়াই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয় রুবেলের কাছ থেকে। অভিযুক্ত মো. ফয়েজ পলাতক।

ডিবি পুলিশ জানায়, ব্যবসায়িক কারণে রুবেলের কাছে ৬ লাখ টাকা পাওনা হন আলমগীর। গত মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ওই পাওনা টাকার জন্য মান্দারী বাজারে রুবেলের কাছে যান। আলমগীরকে তখন ৩ লাখ টাকা দেয় রুবেল।