কর কমিশনারের ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

ডিএনএ টেস্ট ও পাসপোর্ট জব্দের আদেশ কার্যকর হয়নি

সহপাঠীকে ধর্ষণ মামলার আসামি খুলনার কর কমিশনারের ছেলে শিঞ্জন রায়ের পাসপোর্ট জব্দ, উভয়ের ডিএনএ টেস্ট এবং মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ করতে পুলিশকে নির্দেশ দেয় আদালত। নির্দেশনার তিন দিন পার হলেও তা কার্যকর হয়নি। পুলিশ বলছে, শিঞ্জন রায়ের পাসপোর্ট জব্দ এবং উভয়ের ডিএনএ টেস্ট প্রক্রিয়াধীন। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করেছেন। গত বুধবার খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শাহীদুল ইসলাম উভয়ের ডিএনএ টেস্ট এবং মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ করার আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. তৌহিদুল ইসলাম আদালতে এ-সংক্রান্ত আবেদন করেছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা মডেল থানার এসআই তৌহিদুর রহমান বলেন, আসামি শিঞ্জন রায়ের পাসপোর্ট জব্দ এবং উভয়ের ডিএনএ টেস্ট প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া উভয়ের মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ করার জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনারের (সদর সার্কেল) কাছে আবেদন করা হয়েছে।

সহপাঠী ছাত্রীকে (২০) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ১৫ আগস্ট খুলনা কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায়ের ছেলে শিঞ্জন রায়কে (২৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ১৬ আগস্ট তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা করেন। ওই ছাত্রীর দাবি, তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শিঞ্জন এক দিনের রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে। শিঞ্জন ও ওই ছাত্রী খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির এলএলবি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিঞ্জন রায়কে সাময়িক বহিষ্কার করে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।