সেপ্টেম্বরের শুরুতেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। টেস্টে একেবারেই নবীন আফগানিস্তান। অভিজ্ঞতার বিচারে তাই তাদের চেয়ে নিজেদেরই এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে দেশটির বিপক্ষে যে কোনো ফরম্যাটে খেলাই চ্যালেঞ্জিং মানছেন তিনি।
রবিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাকিব। এ সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আফগানদের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। রশিদ খান যে বড় বাধা হতে পারে সেটিও জানিয়ে দিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার।
ক্রিকেটে আফগানিস্তানের বিস্ময়কর উন্নতির কথা উল্লেখ করে সাকিব বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ তো থাকে সব সময়ই। আফগানিস্তান যেভাবে উন্নতি করেছে, তাতে তাদের বিপক্ষে যেকোনো সংস্করণে খেলা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। তাদের বেশ কিছু মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আছে, যারা আমাদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।’
তবে অভিজ্ঞতার দিক থেকে সিরিজে নিজেদের এগিয়ে রাখতে চান সাকিব, ‘অভিজ্ঞতার দিক থেকে যদি বলি, আমরা এগিয়ে থাকব।’
রশিদ খানকে নিয়ে বলতে গিয়ে সাকিব বলেন, ‘ও বিশ্বমানের একজন বোলার। টেস্ট খেলেছে কেবল দুটি। সেদিক থেকে এই সংস্করণে ও একটু নতুন। তবে ও যে পরীক্ষিত খেলোয়াড় তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ও সফল হয়েছে। আর যেহেতু অন্য দুই সংস্করণে সাফল্য পেয়েছে টেস্টেও সফল না হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
রশিদ সফল হলে সেটি বাংলাদেশের জন্য ভয়ের কারণ। তাকে সামলাতে যে হিমশিম খেতে হয় বিশ্বের সব বড় ব্যাটসম্যানদেরও। রশিদ ছাড়াও মোহাম্মদ নবী, কাসেয় আহমেদের মতো স্পিনার আছে তাদের। যারাও হতে পারেন ভয়ানক।
সাকিব তাই মনে করেন আফগানদের বিপক্ষে জিততে হলে দলগত নৈপুণ্য দেখাতে হবে, ‘আমাদের খুব ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। ব্যক্তিগত দুই একটি পারফরম্যান্স দিয়ে জেতার সুযোগ খুব বেশি একটা থাকবে না। টিম হিসেবে ভালো খেলতে হবে।’