ফারুক হত্যার আরেক রোহিঙ্গা আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা (৩০) মামলার আরও এক রোহিঙ্গা আসামি পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, গতকাল সোমবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জাদিমুরা এলাকায় গোলাগুলিতে মোহাম্মদ হাসান (২৮) নিহত হয়। সে নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘ই’ ব্লকের হামিদ উল্লাহর ছেলে। এ নিয়ে ফারুক হত্যা মামলার ১৭ রোহিঙ্গা আসামির মধ্যে তিনজন নিহত হলো। এর আগে গত শনিবার দুই আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যায়।

ওসি প্রদীপ বলেন, ‘যুবলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার আসামিসহ একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী জাদিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে এ খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে তারা গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয়পক্ষের গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হয় ও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসকরা হাসানকে মৃত ঘোষণা করেন।’

গত ২২ আগস্ট রাতে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ফারুককে জাদিমুরা এলাকার বাড়ির সামনে থেকে তুলে পাহাড়ে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত ও ঘটনাস্থল থেকে দেশি একটি এলজি, ৫টি তাজা কার্তুজ ও ৮টি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই সাব্বির আহমদ (৩০), কনস্টেবল লিটন (২১) ও বাহার (২৮)। ময়নাতদন্তের জন্য হাসানের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।