বিভিন্ন দেশে ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের (ইফাদ) ২৫০টি প্রকল্পের মধ্যে শীর্ষ ১০ প্রকল্পের তিনটিই বাংলাদেশের বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর ওমর জাফর। গতকাল সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ওমর জাফর এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের কান্ট্রি ডিরেক্টর ওমর জাফরের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরেই আমরা ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা করছি, যা ২০২৪ সাল নাগাদ দাঁড়াবে ১০ শতাংশ এবং কয়েক বছর ধরে অব্যাহত থাকবে। বিশ্বে যে কয়েকটি দেশের রপ্তানি আয় খুব দ্রুত বাড়ছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। বাংলাদেশের মানুষের ঋণ জিডিপি অনুপাত যেকোনো দেশের তুলনায় কম। ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি সত্ত্বেও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ একটি প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং ইতোমধ্যে ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশের স্থিতি অর্জন ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সংবলিত এসডিজি মূলধারার দিকে অগ্রসর হয়েছে। ওমর জাফর বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে ইফাদের ১০২ কোটি ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে, যা তৃতীয় বৃহত্তম বিনিয়োগ।
সারা বিশ্বে ইফাদের ২৫০টি প্রকল্পের শীর্ষ ১০টির মধ্যে বাংলাদেশের ৩টি প্রকল্প রয়েছে এবং প্রথম স্থানটিও বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ কর্র্তৃক বাস্তবায়িত উপকূলীয় জলবায়ু স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো প্রকল্প।
বর্তমানে বাংলাদেশে সাতটি চলমান প্রকল্প রয়েছে যা পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন, কৃষি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়ন করবে। আরও দুটি প্রকল্প নকশা বাস্তবায়নাধীন।