ফতুল্লার দাপায় মুখে গামছা বেঁধে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার রাত ৯টায় দাপা ইদ্রাকপুর জোড়পুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা শাহীনা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
জানা যায়, ধর্ষণের শিকার কিশোরী ঘটনার রাতে বাড়ির পাশের দোকানে তেল আনতে গেলে দাপা ব্যাংক কলোনি এলাকার শান্ত ওরফে তোতলা শুভ (২৮), শুভ (২৪), দাপা জোড়পুল এলাকার রাজন (২৮) তাকে
জোরপূর্বক গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। ওই কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন ফতুল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। স্থানীয়রা জানায়, অভিযুক্ত সবাই মাদকসেবী ও মাদক বিক্রতা।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দেশ রূপান্তরকে জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে ফতুল্লা থানা পুলিশের একাধিক টিম চেষ্টা চালাচ্ছে।
সাভারে দুই পোশাকশ্রমিক ধর্ষণের শিকার : সাভারে পৃথক ঘটনায় দুই নারী পোশাকশ্রমিক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তৈরি পোশাক কারখানার সুপারভাইজারসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সাভারের আশুলিয়ার পবনারটেক ও নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুই নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো বরগুনা সদর থানা এলাকার দুলালের পলাশ খলিফা (৩২) ও বাগেরহাট সদর থানা এলাকার মাজেদুল ইসলাম। এদের মধ্যে পলাশ খলিফা আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকায় ভাড়া থেকে অটোরিকশা চালায়। মাজেদুল নরসিংহপুর এলাকায় ভাড়া থাকে এবং একটি পোশাক কারখানার সুপারভাইজার।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফজিকুল ইসলাম বলেন, গত বুধবার রাতে আশুলিয়ার পবনারটেক এলাকায় পোশাকশ্রমিককে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে পলাশ খলিফা। পরে প্রতিবেশীরা ওই নারীকে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন।
এদিকে এক নারী শ্রমিকের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করে মাজেদুল ইসলাম। এরপর প্রতারণার করে ধর্ষণ করে আসছিল সে। এ ঘটনায় ওই নারী আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করলে মাজেদুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।