আমাদের প্রতিবেশী মিয়ানমার (সাবেক বার্মা) ও আরাকান বিষয়ে সম্ভবত সবচেয়ে পুরনো ইউরোপীয় বিবরণটি আমরা পাই ফ্রান্সিস বুখাননের ভ্রমণ কাহিনীতে। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্র্তৃক দায়িত্ব পেয়ে ফ্রান্সিস বুখানন ১৭৯৮ সালে দক্ষিণ পূর্ব বাংলায় মসলা চাষের সম্ভাবনা যাচাই করতে চট্টগ্রামের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ভ্রমণ করেছেন। ‘রোহিঙ্গা’ সমস্যার আদিতম সূত্রপাতের উল্লেখ সেখানেই মিলবে। বাংলা-বার্মা সীমান্ত ভূভাগটি তখন একটা উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তার একটা ছাপ বুখাননের সফর-কাহিনীর মধ্যেও আছে। ওই সফরের মাত্র ১৪ বছর আগে ১৭৮৪ সালে সদ্য পরাক্রমশালী হয়ে ওঠা বার্মার রাজা দখল করে নেন আরাকান রাজ্যটি। বুখাননের সফরের সময়েও চট্টগ্রামের সীমান্তে তখনো আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বার্মার সেনাবাহিনী, এর মাত্র চার বছর আগে তাদের একটা বড় বাহিনী কামান-বন্দুক নিয়ে নাফ নদীর সীমানা পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রামে কয়েক দিন ছাউনিও পেতেছিল। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাজিয়ে দেখার বাইরেও তাদের মূল লক্ষ্য ছিল পরাজিত এবং পালিয়ে আসা আরাকানের মানুষগুলোর মধ্যে ভীতি ছড়ানো, সদ্য বিজিত রাজ্যটির রাজপরিবার বা জনগণের দিক থেকে যেন কোনো প্রতিরোধ গড়ে উঠতে না পারে। এর মাত্র কয়েক বছর আগেই তারা আগ্রাসন চালিয়েছে আসামে; লুট করেছে মণিপুর, হাতিঘোড়া গবাদিপশু সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া মণিপুরের রাজার তীর্থযাত্রার খরচ জুগিয়েছেন বৈবাহিক সূত্রে তার আত্মীয় ত্রিপুরার রাজা। বার্মার রাজা শাম দেশেও অভিযান চালিয়েছেন, চিয়াংমাই দখলের চেষ্টায়। এমন প্রবল আগ্রাসী শক্তির হামলার আশঙ্কায় নাফ নদীর তীরের অনেক জনপদ তখন বলা যায় প্রায় বিরান হয়ে গেছে, সেখানে পাহারা জোরদার করার কথা বুখানন সুপারিশ করছেন মোটামুটি এই হলো ফ্রান্সিস বুখাননের ভ্রমণের সময়ে অঞ্চলটির ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, আজ থেকে দেড়শ বছর আগে।
বুখানন তার সফরে পার্বত্য চট্টগ্রামে তখন অজস্র উদ্বাস্তুর সাক্ষাৎ পেয়েছেন। মার্মা জাতির স্বাভাবিক বাসভূমির একটা অংশ ছিল নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে, সীমান্ত পেরিয়ে বিশাল আরাকান থেকে দলে দলে পার্বত্য চট্টগ্রামে এসেছেন মার্মা ও রাখাইন জনগোষ্ঠী, পেছনে রেখে এসেছেন মর্মান্তিক দমনের অভিজ্ঞতা, শহরগুলো বিধ্বস্ত হয়েছে, দেবমূর্তিসমেত মন্দিরগুলো লুণ্ঠিত হয়েছে, ব্যক্তিগত সহায় সম্পদও দখলদারদের হাতে। ধরা পড়া আরাকান অভিজাতরা প্রায় সবাই ফাঁসিতে ঝুলেছেন। নির্যাতনের মাত্রা বোঝাতে বুখানন একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন, রামুর বিরূপ আবহাওয়ায় প্রবল পেটের পীড়ায় আক্রান্ত একজন গণ্যমান্য মার্মা অভিজাত নিজ লোকজনসহ ফেরত যান, অচিরেই তারও প্রাণদণ্ডের খবর আসে। ফলে বিপুল মানুষ সেখান থেকে উদ্বাস্তু হয়ে এসেছেন, পাহাড় ও সমতল ভূমিগুলোতে আবাদ ও বসতি গড়েছেন। সেখান থেকে পালিয়ে এসেছে বিপুলসংখ্যক মুসলিম জনগোষ্ঠীও, সম্ভবত বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনেরও সেই প্রথম উল্লেখ। আগ্রহীরা বিস্তারিত উইলিয়াম ভ্যান শেন্ডেল সম্পাদিত এবং ইউপিএল কর্র্তৃক প্রকাশিত ভৎধহপরং ইঁপযধহধহ রহ ংড়ঁঃযবধংঃ ইবহমধষ (১৭৯৮) গ্রন্থটি পড়ে নিতে পারেন। এই জনগোষ্ঠী যে আরাকানে ব্রিটিশ আমলে কিংবা সাম্প্রতিক সময়ে যায়নি, তার পক্ষে বুখাননের এই নজিরটি শক্তিশালী, কিন্তু স্মরণ রাখতে হবে যে, এমনকি ১৯৪৭ সালে থাকা যেকোনো জনগোষ্ঠীর বাসস্থানের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অধিকারও মিয়ানমারের থাকার কথা না।
২. রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়াটা ছিল বাংলাদেশ সরকারের উল্লেখযোগ্যতম সঠিক কাজ। যে কারণেই আশ্রয় দেওয়া হোক না কেন, এটা না হলে আমরা সাম্প্রতিক ইতিহাসের বর্বরতম একটি গণহত্যার জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী থাকতাম। এটার যে প্রতিক্রিয়া, সেটার দায়ও বহু বছর ধরে শোধ করতে থাকতাম। রোহিঙ্গারা মুসলমান কিংবা খ্রিস্টান অথবা হিন্দু, এটা বড় কোনো বিষয় নয়, তারা মানুষ এবং বিপদগ্রস্ত মানুষকে রক্ষা করাটাই বড় কথা। অন্যদিক দিয়ে, প্রতিবেশী বাছাই করার সুযোগ কারও নেই। কিন্তু প্রতিবেশী বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকা, ভাবনায় এগিয়ে থাকাটা নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্যই প্রয়োজন। মিয়ানমার প্রশ্নে আমরা সর্বদাই পিছিয়ে থাকি। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মধ্যে ধারাবাহিকভাবেই আপসের সুর প্রধান, কোনো মতে সবাইকে তুষ্ট করে রাখার সুরটাই বেশি চোখে পড়ে। নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রেখেও অন্যদের সঙ্গে দ্বন্দ্বে না যাওয়ার নীতি গ্রহণ করা সম্ভব। নদীর পানি, রোহিঙ্গা, বিদেশি বিনিয়োগÑ সব প্রশ্নেই এই কথাটা প্রযোজ্য। রোহিঙ্গাদের যেকোনো ধরনের বাংলাদেশ থেকে খেদিয়ে দেওয়া বিষয়ে একটা অস্থির চাপ আমরা সাম্প্রতিককালে দেখতে পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক মহলে আমরা দৃঢ়নীতি নিয়ে অগ্রসর হলে বহু আগেই রোহিঙ্গা সমস্যার ইতিবাচক সমাধানের সূত্রপাত হতো। কিন্তু বাংলাদেশের নিজের ভূমিকা নিয়েই যদি অন্যরা যথেষ্ট নিঃসংশয় না থাকতে পারে, তখন অন্যদের ওপর এ বিষয়ে চাপ তৈরি করাটাও কঠিন হয়। অন্যদিকে চীন-মিয়ানমার-ভারতকে যতই আমাদের মিত্র রাখতে চাই না কেন, সেটা হতে হবে বাংলাদেশের স্বার্থের মৌলিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। প্রতিবেশী সম্ভাব্য মিত্র কিংবা দৃঢ়মিত্র যাই হোক না কেন, তারা যেন সর্বদা জানেন বাংলাদেশ সীমান্তে এমন উত্তেজনা সৃষ্টি করে রাখা হলে বাংলাদেশ বিষয়টাকে আঞ্চলিক না রেখে আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গে পরিণত করবে। আবার, রোহিঙ্গাদের যদি কেউ ব্যবহার করতে ইচ্ছুক হয়, এই অঞ্চলে চীনবিরোধী একটা জায়গা তৈরি করার জন্য, সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হোক কিংবা অন্য কেউ, যেকোনো ধরনের রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হলে এবং ভবিষ্যৎ তাদের ওপর মিয়ানমারের গণহত্যার যেকোনো পরিস্থিতিতে আসলে তেমন একটি সুযোগ করে দেওয়াটা নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের এখনই খেদিয়ে দিতে যারা চান, তাদের অস্থিরতাটি যে বিপদের আশঙ্কা থেকে, সেটাকেই পাকাপোক্তভাবে সুনিশ্চিত করা হবে।
৩. মিয়ানমার প্রশ্নে চীন ও ভারতের স্বার্থ হুবহু এক, বেশ খানিকটা জাপানেরও। তাদের বাণিজ্যিক ও অন্যান্য ভৌগোলিক স্বার্থে মিয়ানমার প্রশ্নে তাদের নীতি হলো সাধারণভাবে দেশটাকে খুশি রাখা, সেখানকার যেকোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ে চুপ থাকা। অন্যদিকে এই প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বাভাবিক মিত্র হতে পারে পশ্চিমা দেশগুলো, আসিয়ানের অধিকাংশ দেশ। মনে রাখতে হবে, এখনকার দুনিয়ায় বহুমুখী আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের নীতি অবলম্বনই কৌশল, কোনো একটা বলয়ের মধ্যে ঢুকে থাকাটা সুবিধাজনক নয়। যেকোনো দুটি দেশের সব আন্তর্জাতিক নীতিতে অভিন্নতা তাই বিরল বিষয়ে পরিণত হয়েছে। চীন ও ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য এবং অন্যান্য ভৌগোলিক স্বার্থের বহু ধরনের বিষয় জড়িয়ে থাকলেও রোহিঙ্গা প্রশ্নে বাংলাদেশেরই উচিত অন্য বলয়গুলোকেও সক্রিয় করা এবং বাংলাদেশের স্বার্থের এত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বিষয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা। বাংলাদেশ এদের নিয়ে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক অবরোধের ডাক দিলে, মিয়ানমারের গণহত্যার আন্তর্জাতিক বিচার এবং শাস্তির জন্য জোর তদবির করলে এবং মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসারত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তাদের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার জন্য চেষ্টা করলে চীন ভারত ও জাপানই মিয়ানমারকে অনেকখানি বশে আনত। কিন্তু তারা যদি মনে করে, বাংলাদেশ এই দৃঢ়তা দেখাবে না, তখন যা ঘটার তাই হয়তো ঘটছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি জগতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ভারতের, অর্থনীতিতে চীনের। বৈশ্বিক রাজনীতিতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী দুই অংশের বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাই রোহিঙ্গা প্রশ্নে প্রায় অমানবিক ভূমিকা গ্রহণ করেছেন এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘অপরাধপ্রবণ’, ‘নিজেদের কারণেই তারা মিয়ানমারে থাকতে পারেনি’ ইত্যাদি শোরগোল তুলছেন, যা কার্যত মিয়ানমারের গণহত্যার ভূমিকাকেই বৈধতা জোগায়।
৪. রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি বাংলাদেশের পরিবেশের ওপর মারাত্মক চাপ তৈরি করছে, এটা সত্যি। আরও সত্যি যে, স্থানীয় জনসাধারণের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব আছে। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর চাপ গ্রহণ করা যেকোনো অঞ্চলের জন্যই কঠিন। কিন্তু এটাও সত্যি, এই কারণে তাদের জোর করে ফেরত পাঠানোর বন্দোবস্ত করা হলে বিরাট মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে। চেনা জায়গাগুলো থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হলে বাংলাদেশেরই অচেনা জায়গাতে তারা আশ্রয় নেবে, আরও গহিনে তারা আশ্রয় নেবে। সেটা আরও বড় প্রতিবেশগত সংকট তৈরি করবে। আরও বড় জাতিগত হানাহানির পরিস্থিতি তৈরি করবে। কিছু কিছু পরিস্থিতি আসে, যখন এই বাস্তবতাগুলো মেনে নিয়ে কীভাবে তাকে সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবস্থাপনা করা যায়, সেটাই একমাত্র করণীয় হয়। রোহিঙ্গারা অপরাধপ্রবণ? মনে রাখবেন, আপনার দেশে সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ইয়াবা পাচারে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ আছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র যেমন, তার ফাঁকফোকরেই রোহিঙ্গারা বেঁচে আছে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করেনি। ফলে এই দেশে বনভূমি ধ্বংস বা ইয়াবা পাচারের যে ভয়াবহ কারবার এমনিতেই চালু আছে, রোহিঙ্গারা বড়জোর সেখানে সস্তা শ্রমিক হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। রোহিঙ্গা শিবিরের ৬০০ একর বাদ দিলে পুরো বাংলাদেশের বনভূমি তো আমরাই দখল কিংবা ধ্বংসপ্রায় করেছি। বরং আশ্রয়দাতারাই শরণার্থীদের বৈশিষ্ট্য অধিকাংশ সময়ে নির্ধারণ করে। আমাদের নিজেদের রক্ষার জন্যই দায়িত্ব হবে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে যেন মৌলবাদী বা সন্ত্রাসবাদী রাজনীতির বিকাশ না ঘটে, এমনকি ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক প্রবণতাও যেন আরাকানের অন্যান্য জাতির প্রতি বিদ্বেষপ্রসূত না হয়, সেটা নিশ্চিত করা। মিয়ানমারে নিজেদের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে টিকে থাকতে চাইলে যে তাদের প্রতিবেশীদের সঙ্গে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার সম্পর্কে যুক্ত হতে হবে, সেটা নিশ্চিত করাটাই কাজ হবে এবং সেই রকম একটা রাজনৈতিক শক্তি তাদের মধ্যে তৈরি হওয়া মানেই রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী, উগ্রপন্থি বা অন্যদের প্রতি বিদ্বিষ্ট হিসেবে প্রচার করে মিয়ানমারপন্থি প্রচার বন্ধ করা সম্ভব হবে, সম্ভব হবে রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থন বৃদ্ধির। তার জন্য প্রধান শর্ত হলো রোহিঙ্গাদের মধ্যে অধিকারের দাবিটি যেন জাতিবিদ্বেষী ও মৌলবাদী না হয়ে গণতান্ত্রিক ধারার হয়।
৫. এই পরিস্থিতির মধ্যে কারও জন্যই সুখকর কিছু নেই। কিন্তু এটা আমাদের কখনোই ভুলে গেলে চলবে না যে, এই বিপুল জনগোষ্ঠী বাঁচার জন্য কিছু না কিছু করবে। তারা যতক্ষণ শিবিরের ভেতর আছে, ততক্ষণ তারা বরং সবচেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণে আছে, শিবিরগুলো যতই বন আর পাহাড় ধ্বংস করে তৈরি হোক না কেন। এ অর্থে এই শিবির খুবই জরুরি নির্মাণ ছিল, বাংলাদেশের বনভূমি ও পাহাড়ের আরও বড় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছে তা। আবারও বলছি, পরিস্থিতিতে সুখকর কিছু নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক সংকট বলে-কয়ে আসে না, আপনার পছন্দ অনুযায়ীও আসে না। কিন্তু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে গণহত্যার মুখে ঠেলে দিলে তা আমাদের জন্য আরও অনেক বড় অস্থিরতা এবং আরও বিশাল আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি করে দেবে। ফলে তার মধ্য দিয়ে আমরা হয়তো যা এড়াতে চাইছি, আরও বড় আকারে সেই গাড্ডার মধ্যেই পতিত হব।
লেখক
রাজনৈতিক সংগঠক ও প্রাবন্ধিক
subarnadin@gmail.com