বিআরটিসির ৪৯% মালিকানা ছেড়ে দেবে সরকার

রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) ৪৯ শতাংশ শেয়ার সরকারের অন্যান্য সংস্থা বা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া হবে। বাকি ৫১ শতাংশ শেয়ার থাকবে সরকারের হাতে। এতে কার্যত কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হবে সংস্থাটি। তবে দেশে হরতাল, ধর্মঘট, জরুরি অবস্থা কিংবা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংস্থাটিকে পরিবহনসেবা অব্যাহত রাখতে হবে।

এসব বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন আইন ২০১৯’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। গতকাল সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা হয়েছে। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ দিয়ে বিআরটিসি চলছে। এই অধ্যাদেশকে ঘষামাজা করে আইনে পরিণত করা হয়েছে। এর খুব বেশি পরিবর্তন নেই, কারণ এটি আগেই অনেক পরিবর্তন করা হয়েছিল।

আইনে নতুন একটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিশেষ পরিস্থিতি যেমনÑ হরতাল, পরিবহন ধর্মঘট, জরুরি অবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশ্ব ইজতেমা, মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ এবং অনুরূপ কোনো পরিস্থিতিতে বিশেষ সড়ক পরিবহনসেবা দেওয়ার বিষয়টি বিআরটিসির কাজের মধ্যে নতুন যুক্ত করা হয়েছে। জরুরি কাজ হিসেবে বিআরটিসির কাজের অংশ হিসেবে নতুন সংযোজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিআরটিসির অনুমোদিত মূলধন ছিল ৬ কোটি টাকা; সেটিকে এক হাজার কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিশোধিত মূলধন এক হাজার কোটি টাকার বেশি হবে না বলে প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বিশেষ সাধারণ সভায় ঠিক করা হবে। নতুন আইনে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ১১ থেকে ২৪ জন করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।