আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিককে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

আশুলিয়ায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী পোশাক শ্রমিক। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর নারীর অভিযোগের পরে আশুলিয়ার উত্তরগাজীরচট ভূইয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার রাত ১০টার দিকে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। 

গ্রেপ্তাররা হলেন- শেরপুর জেলার সদর থানার সাতমাড়িয়া গ্রামের মৃত মুরাদ হোসেনের ছেলে কাইয়ূম ও পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানার মুসোরিয়া গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে তুহিন আলম। তারা বর্তমানে আশুলিয়ায় বাস করেন।

এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার এসআই ফজিকুল ইসলাম জানান, গত রবিবার রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগী নারী কারখানা থেকে বাড়ি ফেরার পথে উত্তর গাজাীরচট এলাকায় পৌঁছালে বখাটে কাইয়ূম ও তুহিন তার মুখে চেপে ধরে তুলে নিয়ে যায়। পরে পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, কয়েকদিন ধরে মোবাইল ফোনে এই নারীকে বিরক্ত করাসহ বিভিন্ন ধরনের কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল এই দুই বখাটে।

অন্যদিকে আশুলিয়ার একই এলাকায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ করে সারফিন নামের এক প্রাইভেটকার চালক।

ঘটনার পরে সোমবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে সারফিন ও তার সহযোগী তহিরুল ভুঁইয়ার নামে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রাইভেট চালক সারফিনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার সারফিন বি-বাড়িয়া জেলার কসবা থানার গানপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।