বেতন বৈষম্য নিরসন দাবি

ফের আন্দোলনে যাচ্ছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা, স্মারকলিপি প্রদান ও মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা। গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে

পৃথক সংবাদ সম্মেলন করে একই নামের দুটি সংগঠন এসব কর্মসূচি ঘোষণা করে।

রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান আতিক জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর সারা দেশে উপজেলা পর্যায়ে মানববন্ধন এবং ২৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরও দাবি না মানলে ১ অক্টোবর থেকে লাগাতার কর্মসূচি পালিত হবে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আছেÑ শিক্ষকদের মানসম্মত বেতন স্কেল দেওয়া হবে। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ২৮ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচির পর আরও কঠোর কর্মসূচি দেব। স্কুল তালাবদ্ধ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’

এদিকে তোপখানায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন হয়। সেখানে বলা হয়েছে, কয়েক দফা মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি পালনের পরও যদি দাবি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে ২৩ অক্টোবর সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করে স্মারকলিপি পেশ করা হবে। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা। সংগঠনটির কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, ২৩ অক্টোবর বেলা ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা। এর আগে ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মানববন্ধন। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।