চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার আসামি নিহত

চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মো. রাসেল (২৩) নামে হত্যা মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। লক্ষ্মীপুরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক। চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, পুলিশ বলছে, গত শুক্রবার রাত ২টার দিকে নগরীর চান্দগাঁও থানার জেলেপাড়া

এলাকায় তাদের সঙ্গে ওই বন্দুকযুদ্ধে নিহত রাসেল এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলে। তিনি একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি।

চান্দগাঁও থানা সূত্র জানায়, সানোয়ারা আবাসিক এলাকার দর্জিপাড়ায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মো. জিয়াদ (২৩) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়। এই ঘটনায় রাসেলকে এক নম্বর আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার বড় ভাই জাহেদ। নগর গোয়েন্দা পুলিশ মামলায় আরমান নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

চান্দগাঁও থানার ওসি আবুল কালাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর রাসেল ঢাকায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। গত শুক্রবার তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অবৈধ অস্ত্র থাকার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। রাত ২টার দিকে তাকে নিয়ে দর্জিপাড়ার পাশে জেলেপাড়ায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। দুপক্ষের গোলাগুলিতে রাসেল ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, সদর উপজেলার শাকচর এলাকার এক পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, গতকাল শনিবার ভোররাতে সেখানে দুই দল ডাকাতের গোলাগুলিতে তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় জীবন বাঁচাতে ৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর থানার এসআই মোতাহার হোসেন ও কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সদর থানার ওসি আজিজুর রহমান জানান, ভোররাতে দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলি হয়। গুলির শব্দ শুনে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশ ৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ডাকাত সদস্য হতে পারেন বলে ধারণা পুলিশের এ কর্মকর্তার।