শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কারণে শিল্প উৎপাদনে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। এতে শিল্প খাতে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জনে দক্ষতা ও শিল্প খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও এনপিওর পরিচালক এস এম আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন বিটাকের মহাপরিচালক ড. মফিজুর রহমান, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক মো. মুয়াজ্জেম হোসাইন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব লুৎফুন নাহার বেগম ও সংগঠনের সভাপতি মির্জা নূরুল গণি। শিল্প, সেবা, কৃষিসহ অন্যান্য খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রণীত দশ বছরমেয়াদি ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশ। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা আন্দোলন বেগবান করতে সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বেও ভিত্তিতে এপিও সোসাইটি কাজ করবে।
জাপানভিত্তিক এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও) আয়োজিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশিদের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশ। নির্বাচনের মাধ্যমে সম্প্রতি এপিও সোসাইটি ফর বাংলাদেশের দুই বছর মেয়াদি নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। ৪১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটিতে অপ্রাতিষ্ঠানিক শিল্প দক্ষতা উন্নয়ন পরিষদের (আইএসআইএসসি) চেয়ারম্যান মির্জা নূরুল গণি শোভন সভাপতি এবং এনপিওর যুগ্ম পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।