নওগাঁয় প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছেন স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী। তাদের দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া কুড়িগ্রামে মিনিবাস থেকে মুখে গামছা দেওয়া ওই বাসের চালকের সহকারী কিশোরের এবং বাগেরহাটের মোল্লাহাটে খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ভ্যানচালকের ভাসমান মরদেহ। ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নওগাঁ : নিয়ামতপুরে নুৎফুন নেছা (৫৫) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন তার স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী। গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের রশিদপাড়ায় এ হত্যাকা-ের ঘটনাটি ঘটে। গতকাল শনিবার ভোরে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ সময় আটক করা হয় নিহতের স্বামী নফির উদ্দিন (৫৫) ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী বনলতা ওরফে বাবুইকে (৪০)।
নিহত নুৎফুন নেছা উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের রশিদপাড়া গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের মেয়ে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নফির উদ্দিন তার প্রথম স্ত্রী নুৎফুন মারা গেছেন বলে শ্বশুরবাড়িতে সংবাদ দেন। পরে বড় ভাই মোজাম্মেল হোসেন স্থানীয়দের নিয়ে এসে দেখেন নুৎফুনের দুই কান দিয়ে রক্ত ঝরছে।
নিয়ামতপুর থানার ওসি হুমায়ন কবির জানান, নফির উদ্দিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুৎফুনকে শ্বাসরোধে করে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করে জানান, দ্বিতীয় স্ত্রী বাবুই পা ধরে ছিল এবং নফির গলাটিপে প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেন।
কুড়িগ্রাম : কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গতকাল শনিবার সকালে একটি মিনিবাস থেকে চালকের সহকারী শিপন (১৪) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিপন ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাস শ্রমিক মোজাম্মেল হকের ছেলে। তার বড় ভাই রিপনও গাড়িতে হেলপারের কাজ করেন।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) রাজু সরকার জানান, শাহজালাল পরিবহন নামে একটি মিনিবাসে হেলপারের কাজ করত শিপন। রাতে গাড়িতেই থাকত। শনিবার সকালে অন্য শ্রমিকরা বাসটিতে শিপনের মরদেহ দেখতে পায়। তার মুখে গামছা দেওয়া ছিল।
বাগেরহাট : মোল্লাহাটের একটি খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় হাফিজুর শেখ (৪০) নামে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোল্লাহাট উপজেলার আটজুড়ি ইউনিয়নের হাঁড়িদহ গ্রামের একটি খাল থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।
ভ্যানচালক হাফিজুর শেখ হাঁড়িদহ গ্রামের প্রয়াত সোনা মিঞা শেখের ছেলে। তিনি ঢাকায় ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।
মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী গোলাম কবির বলেন, ভ্যানচালক হাফিজুর পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকতেন।